মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

সরকারের প্রথম ১৮০ দিনে গৃহীত নানা পদক্ষেপের মূল্যায়ন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের প্রথম ১৮০ দিন পূর্ণ হয়েছে। এ সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তি, কৃষকদের ঋণ মওকুফ এবং ফ্যামিলি কার্ডের মতো নানা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· মিনিট পড়া

সরকারের প্রথম ১৮০ দিনে গৃহীত নানা পদক্ষেপের মূল্যায়ন
ছবি: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের প্রথম ১৮০ দিন পূর্ণ হয়েছে। এই সময়ে দেশের অর্থনীতি, প্রশাসন ও জনকল্যাণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সরকার গঠনের পর থেকেই বিভিন্ন খাতের সংস্কার এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ শুরু করে বর্তমান প্রশাসন।

চলতি বছরে জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা যায়। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে প্রতি ব্যারেল ডিজেলের বৈশ্বিক মূল্য প্রায় ৮৬ ডলার ছিল, যা পরবর্তীতে এপ্রিলে গিয়ে প্রায় ২৮৫ ডলারে পৌঁছায়। বৈশ্বিক এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সামাল দিতে সরকার সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেয়। এর অংশ হিসেবে আগস্ট মাসে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

প্রশাসনিক ও আইনগত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রথম সংসদে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আইনগত দলিল নিয়ে কাজ করা হয়েছে। সরকারের প্রথম এই সময়ে প্রথম সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইন প্রণয়ন ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারণে এই উদ্যোগগুলোকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে কৃচ্ছ্রসাধনের বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী একটি দৃষ্টান্তমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর মূল বেতনের ১০ শতাংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এই ধরনের উদ্যোগ জনকল্যাণমুখী ভাবনার প্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে।

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী জোরদার করতে সাধারণ মানুষের মাঝে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পরীক্ষামূলকভাবে হাজার হাজার পরিবারকে 'ফ্যামিলি কার্ড'-এর মাধ্যমে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনযাত্রায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

কৃষি খাতের উন্নয়নেও বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে বর্তমান সরকার। কৃষি ও কৃষকের সুরক্ষায় প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের কৃষিঋণ ও সংশ্লিষ্ট সুদ মওকুফের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

আগামী অর্থবছরের জন্য একটি বড় আকারের আর্থিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার। এই বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬.৫ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭.৫ শতাংশ। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার মাধ্যমে দেশ একটি সুশৃঙ্খল অর্থনৈতিক ভিত্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধির বৈঠক
রাজনীতি

স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধির বৈঠক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করা হয়।

১ মিনিট পড়া
গত ছয় মাসে সরকারের নীতি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে তারেক রহমানের নেতৃত্ব
রাজনীতি

গত ছয় মাসে সরকারের নীতি ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে তারেক রহমানের নেতৃত্ব

গত ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দাপ্তরিক কাজে সম্মানসূচক উপাধি ব্যবহারের পরিহার এবং নতুন কার্ড চালুর মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

১ মিনিট পড়া
ওমরাহ পালনে সৌদি আরব গেলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ
রাজনীতি

ওমরাহ পালনে সৌদি আরব গেলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ

সস্ত্রীক ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। সোমবার সন্ধ্যায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি রওনা হন। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর তিনি দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে।

১ মিনিট পড়া
নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ঐতিহাসিক মূল্যায়ন
রাজনীতি

নদিয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ঐতিহাসিক মূল্যায়ন

১৭১০ সালে জন্মগ্রহণ করা রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ১৭২৮ সালে নদিয়ার জমিদার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রঘুরাম রায়ের এই উত্তরাধিকারী বাংলা, সংস্কৃত ও ফারসি ভাষায় বিশেষ পারদর্শী ছিলেন।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER