শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছর ও ৮৮ বছরের ইতিহাস উদযাপন
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছর পূর্তি এবং ৮৮ বছরের কৃষিশিক্ষার ইতিহাস উদযাপিত হয়েছে। ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকায় এই ঐতিহাসিক উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছর পূর্তি এবং ৮৮ বছরের কৃষিশিক্ষার গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে। গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে রাজধানী ঢাকায় এই বিশেষ দিনটি উদ্যাপিত হয়। দেশের কৃষিশিক্ষার প্রসারে এই প্রতিষ্ঠানের রয়েছে এক দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য ঐতিহ্য।
ইতিহাসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৩৮ সালের ১১ ডিসেম্বর অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক বেঙ্গল এগ্রিকালচারাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হিসেবে এর কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।
শুরুতে অত্যন্ত সীমিত পরিসরে এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। ১০ জন মুসলিম ও ১০ জন হিন্দু শিক্ষার্থী নিয়ে বেঙ্গল এগ্রিকালচারাল ইনস্টিটিউট তাদের প্রথম একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করেছিল। পরবর্তীতে সময়ের বিবর্তনে এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের কৃষিশিক্ষার অন্যতম প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়।
দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় ২০০১ সালের ৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউটের হীরকজয়ন্তী অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়। ওই অনুষ্ঠানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী প্রতিষ্ঠানটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রূপ দেওয়ার ঐতিহাসিক ঘোষণা দিয়েছিলেন।
পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয়। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত সরকারি গেজেট প্রকাশিত হয়, যা এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে রয়েছে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ এই বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশাল প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেছে। বর্তমানে এই স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে ৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছেন এবং তারা দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে নিজেদের প্রস্তুত করছেন।
এই দীর্ঘ অভিযাত্রায় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন দেশের বহু প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব। মো. সাইদ আহম্মদ, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, ড. কাজী এম বদরুদ্দোজা এবং ড. এস এম জামান এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এছাড়াও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বেঙ্গল এগ্রিকালচারাল ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এই পুরো ইতিহাসের অংশীদার।








