শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি টাকার বেশি মূল্যের ল্যাপটপ আটক
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মিথ্যা ঘোষণা ও কম মূল্য দেখিয়ে আমদানি করা বিপুল পরিমাণ ল্যাপটপ, ট্যাব ও আইপ্যাড আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। দুই চালানে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ২ কোটি ৭ লাখ ২১ হাজার ৫৭০ টাকা।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুটি পৃথক চালানে বিপুল পরিমাণ ল্যাপটপ, ট্যাব ও আইপ্যাড আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। মিথ্যা ঘোষণা ও কম মূল্য দেখিয়ে এসব পণ্য আমদানি করা হয়েছিল। কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
আটক হওয়া এই চালান দুটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হলো সর্দার গ্লোবাল ট্রেড। এছাড়া চালান দুটির সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছে ফাহিম ৫ স্টার লিমিটেড।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান পণ্যগুলোর মোট মূল্য মাত্র ৫ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার ঘোষণা করেছিল। তবে কাস্টমস করণিক মূল্যায়নে এর প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৮৬ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৭ লাখ ২১ হাজার ৫৭০ টাকা।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথম চালানটির খালাস স্থগিত করা হয়েছিল গত ১৩ আগস্ট। পরবর্তীতে গত ২৩ আগস্ট এই চালানের কায়িক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। প্রথম এই চালানের মূল্যায়িত মূল্য নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৩ হাজার ৫২৭ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ২৭ লাখ ৮৫ হাজার ৫৮৪ টাকা।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় চালানটির মূল্যায়িত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৪ হাজার ২৫৯ ডলার, যার পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭৯ লাখ ৩৫ হাজার ৯৮৬ টাকা। সব মিলিয়ে দুটি চালানে মোট ১ হাজার ১৬৭টি ল্যাপটপ এবং ১০০টি ট্যাব ও আইপ্যাড পাওয়া গেছে।
প্রথম চালানে পাওয়া গেছে ৭৪০টি ল্যাপটপ এবং ৬০টি ট্যাব ও আইপ্যাড। আর দ্বিতীয় চালানে পাওয়া গেছে ৪২৭টি ল্যাপটপ, ৩৫টি ট্যাব এবং ৫টি আইপ্যাড।
বিমানবন্দরে কায়িক পরীক্ষার সময় একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় ধরা পড়ে। পরীক্ষার দেখা গেছে, চালানে থাকা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ল্যাপটপ ব্যবহৃত বা পুরোনো। আমদানি নীতি আদেশের আওতায় এই ধরনের ব্যবহৃত পণ্য আমদানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।








