যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিনামূল্যে এআই ও সাইবার সিকিউরিটি প্রশিক্ষণ
বাংলাদেশ সরকারের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বর্তমানে বিনামূল্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এবং সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এইচএসসি পাস প্রার্থীরা এই কোর্সে আবেদন করতে পারবেন এবং প্রতিদিন ২০০ টাকা যাতায়াত ভাতা সহ সরকারি সনদপত্র পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বর্তমান চাকরির বাজারে একটি বড় পরিবর্তন আসছে। বর্তমান চাকরির বাজারে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি চাকরির নিশ্চয়তা দিচ্ছে না, বরং বাস্তব কাজের দক্ষতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে যুগোপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছে রাষ্ট্র।
<প্রশিক্ষণ কোর্সে প্রবেশ>বাংলাদেশ সরকারের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বর্তমানে দেশের তরুণদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক বিনামূল্যে এআই ও সাইবার সিকিউরিটি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির যুগে টিকে থাকতে এই ধরনের কারিগরি শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সামনের দিনগুলোতে কর্মসংস্থানের ধরণ বদলে যাবে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চাকরির বাজারে প্রায় ৩৯ শতাংশ চাকরি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে বা সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হবে। এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে তরুণদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান যুগে এআই বিষয়ে শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জন সফল ক্যারিয়ারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টিও সমানভাবে সামনে চলে আসছে। তাই এই দুই বিষয়ে তরুণদের দক্ষ করে তুলতে এই প্রশিক্ষণ কোর্সটি সাজানো হয়েছে।
যাঁরা এই প্রশিক্ষণে অংশ নিতে আগ্রহী, তাঁদের জন্য কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা প্রয়োজন। এই কোর্সে এইচএসসি পাস করা প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি উচ্চমাধ্যমিক পাস তরুণ-তরুণীরা আধুনিক প্রযুক্তির এই জ্ঞান অর্জন করে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।
প্রশিক্ষণার্থীদের আর্থিক সহায়তার বিষয়টিও এই কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই প্রশিক্ষণ কোর্সে প্রতিদিন ২০০ টাকা যাতায়াত ভাতা দেওয়া হয়। ফলে সাধারণ ও দূরদূরান্তের শিক্ষার্থীরাও কোনো আর্থিক চাপ ছাড়াই নিয়মিত ক্লাসে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
প্রশিক্ষণ শেষে সফল অংশগ্রহণকারীদের জন্য সরকারি স্বীকৃতির ব্যবস্থাও রয়েছে। এই কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার পর প্রশিক্ষণার্থীরা সরকারি সনদপত্র পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এই সনদ তাঁদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে এবং পেশাগত দক্ষতা প্রমাণে বড় ভূমিকা পালন করবে।








