যুক্তরাজ্যে শিক্ষায় ও পেশায় আলো ছড়াচ্ছে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি তরুণেরা
যুক্তরাজ্যে জন্ম নেওয়া ব্রিটিশ-বাংলাদেশি তরুণ প্রজন্ম শিক্ষাক্ষেত্রে শ্বেতাঙ্গ সহপাঠীদের পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে। বিভিন্ন পরিসংখ্যান বলছে, উচ্চশিক্ষায় ভর্তির হার এবং করপোরেট ও প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চপদে তারা উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

যুক্তরাজ্যে জন্ম নেওয়া ব্রিটিশ-বাংলাদেশি তরুণ প্রজন্ম শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে। তারা এখন পড়ালেখা এবং মর্যাদাপূর্ণ পেশার ক্ষেত্রে দেশটির শ্বেতাঙ্গ সহপাঠীদের পেছনে ফেলে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করছে।
শিক্ষা খাতের এক পরিসংখ্যানে এই অগ্রগতির চিত্র স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ২০২১ সালের জিসিএসই (GCSE) পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৯ বছর বয়স হওয়ার আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির হার ছিল ৬৭ শতাংশ।
তুলনামূলকভাবে একই পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সাধারণ ব্রিটিশ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই হার ছিল মাত্র ৩৮ শতাংশ। অর্থাৎ ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের চেয়ে বেশ বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।
কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমেও ব্রিটিশ-বাংলাদেশি নারীরা দুর্দান্ত অগ্রগতি প্রদর্শন করেছেন। ২০২১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে জন্ম নেওয়া ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সী ব্রিটিশ-বাংলাদেশি নারীদের মধ্যে সরাসরি কর্মরত রয়েছেন ৬৮ শতাংশ।
প্রথম প্রজন্মের অভিবাসী নারীদের ক্ষেত্রে এই কর্মসংস্থানের চিত্রটি ভিন্ন। একই বয়সের (২৫ থেকে ৩৪ বছর) প্রথম প্রজন্মের অভিবাসী নারীদের মধ্যে কর্মসংস্থানের হার ছিল মাত্র ৩২ শতাংশ, যা নতুন প্রজন্মের সাফল্যের ব্যবধানটি স্পষ্ট করে।
শুধু শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নয়, পেশাগত ক্ষেত্রেও তারা উচ্চ অবস্থানে পৌঁছে গেছেন। ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের মধ্যে করপোরেট ও প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চ পদগুলোতে ১৪ শতাংশ ব্রিটিশ-বাংলাদেশি তরুণ-তরুণী নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করেছেন।
এই সামগ্রিক অর্জন প্রসঙ্গে সাংবাদিক ও লেখক মাহবুবুল করীম সুয়েদ বলেছেন, ‘লন্ডনের গতিশীল অর্থনীতি ও সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মেধার মাধ্যমে ব্রিটিশ বাংলাদেশিরা নিজেদের জীবনমান উন্নত করছেন। একই সঙ্গে দেশটির সামগ্রিক আর্থসামাজিক দৃশ্যপটেও তারা বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আনছেন।’








