ম্যারাডোনার মৃত্যুর বিচার প্রক্রিয়ায় বড় ভুলত্রুটি ধরা পড়ল
ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর কারণ নিয়ে চলা বিচার প্রক্রিয়ায় সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। স্বাস্থ্যবিমা কোম্পানি সুইস মেডিক্যাল জানিয়েছে, তদন্ত কমিশনে জমা দেওয়া প্রতিবেদনগুলো ম্যারাডোনার নয়, বরং তাঁর বাবার ছিল।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

আর্জেন্টিনার বিশ্বখ্যাত ফুটবলার ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর কারণ নিয়ে চলমান বিচার প্রক্রিয়ায় এক বড় ধরনের প্রতিবেদনের গরমিল বা ভুলত্রুটির তথ্য সামনে এসেছে। দেশটির স্বাস্থ্যবিমা কোম্পানি 'সুইস মেডিক্যাল' সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে যে, ফুটবল কিংবদন্তি ম্যারাডোনার মৃত্যুর কারণ তদন্তকারী মেডিক্যাল কমিশনের কাছে জমা দেওয়া পরীক্ষাগুলোর প্রতিবেদনগুলো মূলত ভুলবশত ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনার নামে নথিভুক্ত করা হয়েছিল।
বাস্তব তথ্য অনুযায়ী, ওই আলোচিত প্রতিবেদনগুলো ডিয়েগো ম্যারাডোনার নিজের ছিল না। সেগুলো ছিল তাঁর প্রয়াত বাবা ডিয়েগো সালুস্তিয়ানো ম্যারাডোনার। এই চাঞ্চল্যকর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই আর্জেন্টিনার বিচার অঙ্গন ও সংশ্লিষ্ট মহོলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা ম্যারাডোনার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের বিচারিক প্রক্রিয়াকে নতুন মোড় দিয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ডিয়েগো ম্যারাডোনার বাবা ডিয়েগো সালুস্তিয়ানো ম্যারাডোনা অনেক আগেই ২০১৫ সালে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। অন্যদিকে, বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্তকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে ফুটবল জাদুকর ডিয়েগো ম্যারাডোনা ২০২০ সালের নভেম্বরে ৬০ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে যান। তাঁর এই আকস্মিক ও রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় শুরু থেকেই চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ উঠেছিল।
ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ উদঘাটন এবং এর পেছনে কোনো চিকিৎসাগত অবহেলা বা অপরাধজনিত ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে বর্তমানে আদালতে বিচার কার্যক্রম চলছে। এই চাঞ্চল্যকর মামলায় চিকিৎসাগত দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে মোট সাতজন স্বাস্থ্যকর্মীর বিচার চলছে আর্জেন্টিনার আদালতে।
এই পুরো বিষয়টি সংবাদ মাধ্যম ও বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে। আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস আইরেসে ২০২৫ সালে চলমান এই বিচার প্রক্রিয়ায় সুইস মেডিক্যালের এই স্বীকারোক্তি এবং চিকিৎসা প্রতিবেদনের ভুল নামকরণের বিষয়টি তদন্ত কার্যক্রমে একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।








