মো. সাহাবুদ্দিনের ১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মো. সাহাবুদ্দিনের নামে থাকা ১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার বেশি সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রাজধানী ঢাকায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ judiciaire বা বিচারিক আদেশ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মো. সাহাবুদ্দিন নামের এক ব্যক্তির স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ করার নির্দেশ প্রদান করেছেন। এই আদেশের ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অর্জিত অবৈধ সম্পত্তির ওপর আইনি রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হলো।
আদালতের দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী, অভিযুক্ত মো. সাহাবুদ্দিনের মোট ১ কোটি ৮৭ লাখ ৪৭ হাজার ৩০৭ টাকার সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত সাপেক্ষে এই বিশাল অঙ্কের অবৈধ সম্পদের তথ্য উদঘাটন করে আদালতের কাছে যথাযথ আইনি পদক্ষেপের আবেদন জানিয়েছিল।
আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তির স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করার এবং তার অস্থাবর সম্পদ তাৎক্ষণিকভাবে অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন। এই আদেশের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোনো ধরনের হস্তান্তর, বিক্রয় বা রূপান্তর করতে পারবেন না।
এদিকে মামলার নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে মো. সাহাবুদ্দিনের ব্যক্তিগত পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। আদালতের রেকর্ড অনুযায়ী, অভিযুক্ত মো. সাহাবুদ্দিনের বর্তমান বাসা রাজধানী ঢাকার সিদ্দিকবাজার এলাকায় অবস্থিত। এছাড়া তার নিজ বাড়ি বা স্থায়ী ঠিকানা হলো নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার মাতারবাড়ি গ্রামে।
এই ঘটনা ও নামের মিলের কারণে যাতে কোনো ধরনের জনমনে বিভ্রান্তি বা ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে আদালত ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করেছে। সংশ্লিষ্ট আদালত স্পষ্ট ভাষায় নিশ্চিত করেছেন যে, এই দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত মো. সাহাবুদ্দিন কোনোভাবেই বাংলাদেশের ২২তম সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নন। তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন একজন ব্যক্তি।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং আদালতের এই কঠোর পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে আরও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।








