মোংলা বন্দরে গতি এলেও নাব্য ও যোগাযোগ সংকট কাটেনি
মোংলা বন্দরের কার্যক্রমে গতি ফিরলেও নাব্য সংকট, জেটি স্বল্পতা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার সমস্যার কারণে এর পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। পাশাপাশি চিংড়ি রপ্তানিতে দেখা দিয়েছে জাহাজ সংকট ও পণ্য পরিবহনে নানা দুর্ভোগ।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

মোংলা বন্দরের কার্যক্রমে বর্তমানে কিছুটা গতি ফিরে এসেছে। এর ফলে সাগর থেকে নদীপথ পেরিয়ে নিয়মিতভাবে জাহাজ মোংলা বন্দরে আসছে এবং বন্দরের জেটিতে পণ্য ওঠা-নামার কাজ চলছে। মোংলা বন্দর সচল রাখতে এবং বাণিজ্যে গতিশীলতা আনতে এই কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তবে নানা ইতিবাচক দিক সত্ত্বেও বেশ কিছু কাঠামোগত সমস্যার কারণে মোংলা বন্দরের পূর্ণ সম্ভাবনা এখনও কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান একটি সমস্যা হলো তীব্র নাব্য সংকট। এই নাব্য সংকটের কারণে মোংলা বন্দরে বড় ড্রাফটের জাহাজ ভিড়তে পারছে না, যা বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও বড় বড় ব্যবসায়িক উদ্যোগের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
নাব্য সংকটের পাশাপাশি মোংলা বন্দরে দেখা দিয়েছে তীব্র জেটি স্বল্পতা। বন্দরে ভিড় করা জাহাজের তুলনায় পর্যাপ্ত জেটি না থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। জেটি স্বল্পতার এই সমস্যার কারণে জাহাজগুলোকে অনেক সময় অপেক্ষমাণ থাকতে হয়, যা সামগ্রিক বন্দর ব্যবস্থাপনাকে প্রভাবিত করছে।
বন্দরকেন্দ্রিক কার্যক্রমে শুধু জলপথ বা জেটির সমস্যাই নয়, বরং স্থলভাগের যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও রয়েছে বড় ধরনের জটিলতা। বিশেষ করে সরু ও বেহাল সড়কের কারণে মোংলা বন্দর থেকে পণ্য পরিবহনের সময় এবং খরচ উভয়ই অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা এসব বেহাল সড়কের কারণে প্রতিনিয়ত নানা ধরনের দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
বাণিজ্যিক কার্যক্রমে এই বহুমুখী সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতেও। বিশেষ করে চিংড়ি রপ্তানিতে বর্তমানে তীব্র জাহাজ সংকট বিরাজ করছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অভ্যন্তরীণ পণ্য পরিবহনে নানা ধরনের দুর্ভোগ, যা সামগ্রিক রপ্তানি বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করছে।








