মিউস স্পার্ক এআই মডেলে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে মেটা
নতুন মিউস স্পার্ক এআই মডেলের জন্য প্রম্পট ও আউটপুট শেয়ার করার শর্তে বড় ছাড়ের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি চালু করেছে মেটা। এর ফলে ব্যবহারকারীরা অত্যন্ত কম খরচে ইনপুট ও আউটপুট টোকেন ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটা তাদের নতুন 'মিউস স্পার্ক' (Muse Spark) এআই মডেলের জন্য একটি নতুন ডিসকাউন্ট বা ছাড়ের মূল্য নির্ধারণ মডেল অফার করছে। এই বিশেষ সুবিধাটি পেতে হলে ব্যবহারকারীদের তাদের প্রম্পট এবং মডেলের আউটপুটগুলো ভবিষ্যতে মডেল উন্নয়নের কাজে শেয়ার করার জন্য অবদান রাখতে হবে।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সান ফ্রান্সিসকো থেকে এই ঘোষণা এসেছে। মেটার এই নতুন উদ্যোগের ফলে যেসব ব্যবহারকারী ভবিষ্যতের মডেল উন্নয়নে তাদের ডেটা অবদান রাখবেন, তারা সর্বোচ্চ ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত স্পষ্ট ছাড় উপভোগ করতে পারবেন।
মূল্য কাঠামোর বিস্তারিত তথ্যে দেখা গেছে, আদর্শ বা স্ট্যান্ডার্ড চুক্তির অধীনে প্রতি ১০ লাখ ইনপুট টোকেনের খরচ ১.২৫ মার্কিন ডলার। তবে কন্ট্রিবিউটর বা অবদানকারী মূল্য নির্ধারণ মডেলের আওতায় এই একই পরিমাণ ইনপুট টোকেনের খরচ মাত্র ১০ সেন্টে নেমে আসে।
অন্যদিকে, আউটপুট টোকেনের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের মূল্য হ্রাসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড মূল্যে প্রতি ১০ লাখ আউটপুট টোকেনের দাম ৪.২৫ মার্কিন ডলার হলেও, কন্ট্রিবিউটর মডেলের অধীনে একই পরিমাণ আউটপুট টোকেনের খরচ মাত্র ২০ সেন্ট ধার্য করা হয়েছে।
এই নতুন মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থার মাধ্যমে মেটা মূলত ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ডেটা সংগ্রহ করে তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে চাইছে। যারা নিজেদের প্রম্পট এবং আউটপুট শেয়ার করতে সম্মত হবেন, তারা অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে এই এআই সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, এর আগে গত জুন মাসে মেটা তাদের কর্মীদের কম্পিউটার ব্যবহারের ওপর নজরদারি করার একটি উদ্যোগ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল। তবে বর্তমানের এই মিউস স্পার্ক মডেলের ক্ষেত্রে ডেটা শেয়ারিংয়ের বিষয়টি পুরোপুরি ব্যবহারকারীর অবদানের ওপর এবং এটি একটি ঐচ্ছিক ছাড়ভিত্তিক মডেল হিসেবে বাজারে এসেছে।








