মালয়েশিয়ায় বিদেশিকর্মী নিয়োগে সম্পূর্ণ অনলাইন প্রক্রিয়া চালু
মালয়েশিয়ায় বিদেশিকর্মী নিয়োগে ম্যানুয়াল পদ্ধতির পরিবর্তে পুরোপুরি অনলাইন ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বৈধতা ও কর্মীর চাহিদাসহ নানা তথ্য ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আসবে। বাংলাদেশ সরকারও কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক করার উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

মালয়েশিয়ায় বিদেশিকর্মী নিয়োগে ম্যানুয়াল পদ্ধতির পরিবর্তে পুরোপুরি অনলাইন ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশটিতে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এক নতুন যুগের সূচনা হলো। মালয়েশিয়ায় ও বাংলাদেশে ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট এই সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও উদ্যোগ সামনে আসে।
মালয়েশিয়ায় বিদেশিকর্মী নিয়োগে ম্যানুয়াল পদ্ধতির পরিবর্তে পুরোপুরি অনলাইন ব্যবস্থা চালুর এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে মালয়েশিয়ান ম্যানুফ্যাকচারার্স ফেডারেশন (এফএমএম)। এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় (কেসুমা), এসিএমসিআইএম এবং কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (সিআইডিবি)-এর মতো বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট রয়েছে।
নতুন এই অনলাইন ব্যবস্থার বিষয়ে মালয়েশিয়ান ম্যানুফ্যাকচারার্স ফেডারেশনের (এফএমএম) জ্যাকব লি চোর কোক জানান, 'ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (এফডব্লিউসিএমএস) মাধ্যমে নতুন আবেদন প্রক্রিয়া পুরোপুরি চালু হয়েছে।' তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ১৪ দিনের মধ্যে কন্ডিশনাল অ্যাপ্রুভাল লেটার (এসকেবি) দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ সেবা সেবার মান উন্নয়নে ইতিবাচক পদক্ষেপ।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও প্রবাসীকল্যাণমূলক নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এই বিষয়ে তিনি বলেন, 'রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বৈধতা, বিদেশে কর্মীর চাহিদাসহ সংশ্লিষ্ট তথ্য ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা আনা হবে।'
এই সামগ্রিক প্রক্রিয়ায় সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনে যুক্ত ছিলেন সাংবাদিক আহমাদুল কবির। মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং ফেডারেশনের এই পদক্ষেপে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল রূপান্তর আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।








