মাউশির ১২ দফা নির্দেশনা: চাকরি ও শিক্ষায় প্রক্সি-এআই রোধ
চাকরি ও শিক্ষা পরীক্ষায় প্রক্সি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার রোধে ১২ দফা নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক চিঠিতে এই তথ্য জানা যায়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা প্রতিপালনের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:০২· ১ মিনিট পড়া

চাকরি ও শিক্ষা পরীক্ষায় প্রক্সি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এরই অংশ হিসেবে এসব অপরাধ রোধে সুনির্দিষ্ট ১২ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। দেশজুড়ে বিভিন্ন পরীক্ষা জালিয়াতি এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে এই উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি অফিসিয়াল চিঠি থেকে এই তথ্য জানা যায়। এই চিঠির মাধ্যমে দেশের শিক্ষা ও চাকরি পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ফেরাতে এবং অসদুপায় পুরোপুরি বন্ধ করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, এই ১২ দফা নির্দেশনা তৈরির পেছনে রয়েছে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত। গত ১১ আগস্ট এ সংক্রান্ত বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মূলত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সেই নির্দেশনা কঠোরভাবে প্রতিপালন করার জন্যই মাউশির পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন নিয়োগ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভর্তি বা সমাপনী পরীক্ষায় প্রক্সি বা বদলি পরীক্ষার্থী দেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, আধুনিক প্রযুক্তি বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে ডিজিটাল জালিয়াতির নতুন নতুন কৌশল সামনে আসছে। এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কঠোর হাতে দমনের জন্যই এই ১২ দফা নির্দেশনা কার্যকর করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এই নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নের কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পরীক্ষা কেন্দ্র এবং নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনাগুলো মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে, যাতে কোনোভাবেই কোনো চক্র পরীক্ষার পবিত্রতা নষ্ট করতে না পারে।
বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, মাউশির এই ১২ দফা নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে চাকরি ও শিক্ষা পরীক্ষায় প্রক্সি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহার বহুলাংশে কমে আসবে। এর মাধ্যমে পুরো পরীক্ষা পদ্ধতি আরও বেশি নির্ভরযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।








