মাইজিপি অ্যাপে চালু হলো নতুন ‘ওয়ানএআই’ পরিষেবা
স্থানীয় অপারেটর গ্রামীণফোনের মাইজিপি অ্যাপে ‘ওয়ানএআই’ নামক একটি বিশেষ পরিষেবা চালু করা হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মে চ্যাটজিপিটি, ক্লড, গ্রক, ডিপসিক ও জেমিনির মতো একাধিক জনপ্রিয় এআই মডেল ব্যবহার করা যাবে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

স্থানীয় অপারেটর গ্রামীণফোনের মাইজিপি অ্যাপে 'ওয়ানএআই' নামক একটি বিশেষ পরিষেবার আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়েছে। দেশের প্রযুক্তি খাতের অগ্রযাত্রায় এটি একটি নতুন সংযোজনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা গ্রাহকদের আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করবে।
এই নতুন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই একটি নির্দিষ্ট স্থানে বসে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন এআই মডেল ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে জনপ্রিয় চ্যাটজিপিটি, ক্লড, গ্রক, ডিপসিক এবং জেমিনির মতো উন্নত এআই মডেলগুলো।
উদ্বোধনী এই অনুষ্ঠানে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
দেশের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, “বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার যে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি, তা অর্জনে এআইর ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ গুরুত্ব সম্পর্কে আলোকপাত করেন এবং দায়িত্বশীল ব্যবহারের ওপর জোর দেন।
ভবিষ্যতের প্রযুক্তি ভাবনা তুলে ধরে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান বলেন, “এআই এখন আর কোনো পরীক্ষামূলক বিষয় নয়, ভবিষ্যৎ শুধু এআইর একার নয়; বরং তাদেরও ভবিষ্যৎ, যারা দায়িত্বের সঙ্গে ও ইতিবাচক উদ্দেশ্যে এতে অভ্যস্ত হবে।”
গ্রামীণফোনের মাইজিপি অ্যাপে এই 'ওয়ানএআই' পরিষেবা চালুর মাধ্যমে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার আরও সহজলভ্য ও কার্যকরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।








