মহিলা পরিষদের মানববন্ধনে নারী ও শিশু সহিংসতার প্রতিবাদ
সারা দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের প্রথম সাত মাসে ১ হাজার ৬৬৭ নারী ও শিশু সহিংসতার শিকার হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

সারা দেশে নারীর প্রতি অব্যাহত সহিংসতা, ধর্ষণ, হত্যা ও শিশুহত্যার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে একটি মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ঢাকা মহানগর কমিটির যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
১৬ আগস্ট রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতার বিভিন্ন ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করতে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
মানববন্ধনে সংগঠনের পক্ষ থেকে দেশের নারী ও শিশু নির্যাতনের একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়। সেখানে জানানো হয় যে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত মাত্র সাত মাসে সারা দেশে ১ হাজার ৬৬৭ নারী ও শিশু বিভিন্ন ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছে।
উক্ত পরিসংখ্যানের বিবরণে আরও প্রকাশ পায় যে, উল্লিখিত সাত মাসের মধ্যে শুধু ২৯২ নারী ও কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এই ভয়াবহ চিত্র দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা ও নারী নিরাপত্তার পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে মনে করেন আয়োজকরা।
মানববন্ধনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, আমরা যে তথ্য পাচ্ছি, তা মূলত ১৪টি পত্রিকার তথ্যের ভিত্তিতে পাওয়া চিত্র। নারীর প্রতি সহিংসতার প্রকৃত চিত্র আরও ভয়াবহ হতে পারে। ফলে প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশে নারীর নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার কতটা নিশ্চিত?
উক্ত মানববন্ধনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বা উপস্থিত ছিলেন মালেকা বানু, মাসুদা রেহানা বেগম, রাবেয়া খাতুন শান্তি, শামীমা আফরোজ আইরীন, কানিজ ফাতেমা টগর, দীপ্তি শিকদার এবং জনা গোস্বামী।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে নারী ও শিশুদের ওপর সব ধরনের সহিংসতা বন্ধ এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে সমাজে নারীর পূর্ণ নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করার জোরালো দাবি উত্থাপন করা হয় এই কর্মসূচি থেকে।








