মন্ত্রীদের সাথে অকারণে ছবি তোলার দিন শেষ: জয়
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) সম্প্রতি চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির একটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অভিনেত্রী দীঘির ছবি তোলা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্তব্য করেছেন অভিনেতা জয়। তিনি শিল্পীদের কাজের প্রতি মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সম্প্রতি রাজধানীর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) ‘চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি’র উদ্যোগে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এফডিসিতে আয়োজিত এই ‘ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে’ বা চলচ্চিত্র পরিচালক দিবসের অনুষ্ঠানে দেশের বিনোদন জগতের ববিতা ও সাবিনা ইয়াসমিনের মতো গুণী মানুষেরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি নিয়ে দেশের অঙ্গনে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে।
এই আয়োজনের মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন চিত্রনায়িকা দীঘি। এফডিসির ওই অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী দীঘি তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একটি ছবি তোলেন। মুহূর্তেই সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়।
দীঘির এই ছবি তোলার ঘটনাটি ভালোভাবে নেননি অভিনেতা মামুন হাসান ইমন বা জয়। তিনি বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের মতামত প্রকাশ করেন। দীঘির মন্ত্রীর সঙ্গে ছবি তোলার এই বিষয়টি নিয়েই মূলত অভিনেতা জয়ের এই প্রতিক্রিয়া এসেছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া সেই পোস্টে জয় তীব্র ভাষায় শিল্পীদের অতিরিক্ত ছবি তোলার প্রবণতার সমালোচনা করেন। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, তারকাদের এখন এসব বিষয় থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওই পোস্টে অভিনেতা জয় সুনির্দিষ্টভাবে একটি মন্তব্য করেন। তিনি লেখেন, “শিল্পীদের বোঝা উচিত কাজের বাইরে অকারণে মন্ত্রীদের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার দিন শেষ।” তার এই মন্তব্যটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় এবং সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউনের সূত্রে তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
জয়ের এই বক্তব্যের পর চলচ্চিত্র অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। শিল্পীদের মূল কাজ অভিনয় ও সৃষ্টিশীলতা চর্চা করা—এই বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি অহেতুক প্রচারের আলোয় থাকার প্রবণতা থেকে শিল্পীদের দূরে থাকার পরামর্শ দেন।
পরিশেষে, এফডিসির পরিচালক দিবসের এই অনুষ্ঠানটি কাজের চেয়ে দীঘির ছবি তোলা এবং পরবর্তীতে জয়ের করা মন্তব্য নিয়েই বেশি আলোচিত হয়েছে। বিনোদন অঙ্গনের তারকাদের কাজের চেয়ে মন্ত্রী বা ক্ষমতার কাছাকাছি যাওয়ার এই সংস্কৃতি নিয়ে এখন নানা মহলে সমালোচনা চলছে।








