মতিঝিল আইডিয়ালে ৪৬ শিক্ষক বদলি, নেপথ্যে নানা আলোচনা
রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে একসঙ্গে শিক্ষকদের বদলি করা হয়েছে। রবিবার রাতে এই বদলির আদেশ জারি করা হয়। এ নিয়ে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট মহলে বিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক বদলি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এই বদলির আদেশ জারি করা হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির মূল শাখা থেকে শিক্ষকদের অন্য শাখা ও শিফটে বদলি করা হয়েছে।
এই গণবদলি নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের মতে, কর্তৃপক্ষের আদেশে এই দফায় মোট ৪৬ জন শিক্ষককে বদলি করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে এই ঘটনাটি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তবে ভিন্ন দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ অধ্যাপক লাল মোহাম্মদ। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রকৃতপক্ষে শিক্ষক বদলি হয়েছে ২৬ জন। বাকি শিক্ষকদের বিষয়ে তিনি জানান যে, তারা স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে দিবা ও মর্নিং শিফটে দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থাৎ সকাশের শিফট থেকে বিকালের এবং বিকালের শিফট থেকে সকালের শিফটিতে তাদের স্থানান্তর করা হয়েছে। অন্য সব অভিযোগ এই সময় এড়িয়ে যান অধ্যক্ষ।
অন্যদিকে, এই বদলি প্রক্রিয়ার কঠোর সমালোচনা করেছেন গভর্নিং বডির সাবেক অভিভাবক সদস্য শাহাদত ঢালী। সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউনকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, একসঙ্গে ৪৬ জন শিক্ষককে বদলি করার ঘটনা আইডিয়ালের ইতিহাসে সম্পূর্ণ নজিরবিহীন।
শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করে শাহাদত ঢালী বলেন, সামনেই বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষককে বদলি করলে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এই বদলির নেপথ্যে ভিন্ন কোনো কারণ রয়েছে বলেও দাবি করেন গভর্নিং বডির এই সাবেক সদস্য। তার মতে, একটি নির্দিষ্ট পক্ষকে খুশি করতেই এই বদলি করা হয়েছে। সুনির্দিষ্ট করে তিনি বলেন, বরিশাল গ্রুপকে সন্তুষ্ট রাখার জন্যই মূলত এই বদলি করা হয়েছে।
রোববার রাতের এই আকস্মিক আদেশের পর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে আসন্ন বার্ষিক পরীক্ষার আগে এই পরিবর্তনের ফলে শিক্ষা কার্যক্রমে কী ধরনের প্রভাব পড়ে, সেদিকে এখন সবার নজর রয়েছে।








