ভাটারা থানার গাড়ি পোড়ানো মামলা: পুলিশের লিখিত ব্যাখ্যা জমা
ভাটারা থানার প্রাইভেটকার পোড়ানোর মামলায় সাবেক মেজর সাদিকুল হকের সম্পৃক্ততা ও কারাগারে থেকেও গাড়ি পোড়ানোর বিষয়ে আদালতে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিয়েছে পুলিশ। ১৬ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই ব্যাখ্যা জমা দেওয়া হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর ভাটারা থানার একটি প্রাইভেটকার পোড়ানোর মামলায় সাবেক মেজর সাদিকুল হকের সম্পৃক্ততা এবং কারাগারে থেকেও গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়া হয়েছে। ১৬ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে এই লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়া হয়। আদালতে ব্যাখ্যা জমা দেন ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. চাঁদ আলী।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর ভাটারা থানার বিটুমিন গেটের সামনে একটি প্রাইভেটকারে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক মেজর সাদিকুল হক সাদিকের সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে আদালতের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
পুলিশের জমা দেওয়া লিখিত ব্যাখ্যায় মামলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। তবে এই মামলার আইনি প্রক্রিয়ায় আসামিপক্ষের আইনজীবী এইচ. এম আল-আমিন আদালতকে জানান যে, ঘটনার সময় আসামি কারাগারে ছিলেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কারাগারে থেকে তিনি কীভাবে গাড়ি পোড়ান?
তদন্ত ও আটকের পূর্বাপর তথ্যে জানা যায়, সাবেক মেজর সাদিককে এর আগে গত বছরের ১৭ জুলাই উত্তরা এলাকা থেকে আটক করে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সামরিক আদালত তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে। কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় ভাটারা থানায় এই প্রাইভেটকার পোড়ানোর ঘটনাটি ঘটে।
মামলাটির তদন্তের সাথে ভাটারা থানা ছাড়াও বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া জড়িত রয়েছে। এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখতে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. চাঁদ আলী এবং ওসির জমা দেওয়া লিখিত ব্যাখ্যা আদালতের নথিতে যুক্ত করা হয়েছে।
আদালতে পুলিশের এই লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার মধ্য দিয়ে মামলাটির কার্যক্রমে নতুন মোড় নিয়েছে। কারাগারে থাকা একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গাড়ি পোড়ানোর মতো অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগ এবং আসামিপক্ষের আইনজীবীর যুক্তির বিষয়ে আদালত পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।








