বড় ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনে বাড়তি সময় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, জ্বালানি সংকট ও উচ্চ সুদহারের কারণে ১ হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণ নেওয়া বড় ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনে বাড়তি সময় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (৩১ আগস্ট) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, জ্বালানি সংকট ও উচ্চ সুদহারের কারণে ১ হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণ নেওয়া বড় ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে বাড়তি সময় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ব্যবসায়িক খাতের বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
গত সোমবার (৩১ আগস্ট) দেশের আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এই সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সার্কুলার জারি করা হয়েছে। এই সার্কুলারের মাধ্যমে বড় অঙ্কের ঋণগ্রহীতাদের জন্য ঋণ পরিশোধ ও ব্যবস্থাপনায় নতুন সুযোগ তৈরি হলো।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি এই বিশেষ নীতিগত সিদ্ধান্তের পেছনের সুনির্দিষ্ট কারণগুলো বিশদভাবে তুলে ধরেছেন।
এ বিষয়ে শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, 'মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের রফতানি খাতেও সাময়িক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এর সঙ্গে জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের রফতানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। এতে ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা কমে যাচ্ছে।'
মূলত বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দেশীয় শিল্পে জ্বালানি সংকটের কারণে সৃষ্ট জটিলতার জেরে ব্যবসায়ীদের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা হ্রাসের বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরে এসেছে। এসব সংকট মোকাবিলা এবং শিল্প খাতের ধারাবাহিকতা রক্ষার্থেই বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য এই বাড়তি সময়ের বিধান করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফেরানো এবং খেলাপি ঋণ কমানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এর আগে ১৮ মাসের একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ গ্রহণ করেছে। এই রোডম্যাপ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে।
রাজধানী ঢাকার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জারি করা এই সার্কুলার দেশের সার্বিক অর্থনীতি ও বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।








