বিশ্ব শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ নতুন নয়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, জাতিসংঘ কাঠামোর অধীনে বিশ্বজুড়ে শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের একটি বড় অবদান রয়েছে। তিনি মুসলিম বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সৌদি আরবসহ অন্যান্য দেশের ইতিবাচক ভূমিকার ওপর জোর দেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ১:০৩· ১ মিনিট পড়া

৩০ আগস্ট ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এই ব্রিফিংয়ে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ কাঠামোর অধীনে বিশ্বজুড়ে শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের একটি বড় অবদান রয়েছে। তিনি বলেন, শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতায় বাংলাদেশ নতুন কিছু নয়। আমরা এর জন্য স্বীকৃতি পাচ্ছি এবং আমরা বিশ্বজুড়ে এটি করি। তাহলে আমরা কেন আমাদের মুসলিমদের জন্য এটি করতে পারি না।
তিনি আরও জানান যে, শান্তিরক্ষায় এই মুহূর্তে বাংলাদেশ বিশেষজ্ঞ এবং দেশটি এই ক্ষেত্রে নতুন নয়। বাংলাদেশ সবচেয়ে বড় সশস্ত্র বাহিনী সরবরাহ করে এবং জাতিসংঘ ব্যবস্থায় বৃহত্তম শান্তিরক্ষী বাহিনীতে অবদান রাখছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শীর্ষে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মুসলিম বিশ্বের চ্যালেঞ্জ ও সৌহার্দ্য প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে মুসলিম দেশগুলোর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে সৌদি আরবের সঙ্গে ভ্রাতৃত্ববোধ জড়িয়ে রয়েছে। কারণ, তারা পবিত্র মসজিদের রক্ষক। তাই একটি ইতিবাচক মনোভাব থাকার ক্ষেত্রে এগিয়ে আসা এবং মুসলিম বিশ্বের কিছু চ্যালেঞ্জে সহায়তা করা মোটেও খারাপ জিনিস নয়। তিনি এই বিষয়টিকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে যে, বিশ্বজুড়ে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার কাজে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষস্থানীয় ভূমিকা পালন করে আসছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বড় অবদান রাখা এবং অন্যতম বড় সৈন্য প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের এই অবস্থান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এই ব্রিফিংয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বশান্তি এবং মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গি আবারও দেশবাসীর সামনে স্পষ্ট হলো। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে এটি প্রতীয়মান হয় যে, শান্তি রক্ষা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ তার অর্জিত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিশ্ববাসীর কল্যাণে ভবিষ্যতেও কাজে লাগাতে বদ্ধপরিকর।








