বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বিমান পরিবহন বাজারে রূপ নিল ভারত
ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বিমান পরিবহন বাজারে পরিণত হয়েছে। দেশটিতে বার্ষিক বিমান যাত্রীর সংখ্যা ৪০ কোটির বেশি ছাড়িয়ে গেছে। চাহিদা মেটাতে ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার পাইলট প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হবে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারত এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বিমান পরিবহন বাজার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত তথ্যে ভারতের এভিয়েশন খাতের এই অভূতপূর্ব অগ্রগতির চিত্র উঠে এসেছে। ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং যাতায়াতের সুবিধার কারণে দেশটির বিমান পরিবহন খাতে এই বিশাল পরিবর্তন এসেছে।
ভারতের এই অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারায় গত এক দশকে দেশটিতে ৭০টির বেশি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ করা হয়েছে। নতুন এসব বিমানবন্দর চালুর ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে এবং দূরদূরান্তের মানুষের জন্য আকাশপথে যাতায়াত সহজতর হয়ে উঠেছে।
এভিয়েশন খাতের এই অভাবনীয় সম্প্রসারণের ফলে বিমান যাত্রীর সংখ্যাও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ভারতে প্রতি বছর আকাশপথে যাতায়াতকারী যাত্রীর সংখ্যা ৪০ কোটিরও বেশি। বিপুল এই যাত্রী সাধারণের চাহিদা পূরণ করতে দেশের অভ্যন্তরীণ বিমান সংস্থাগুলো তাদের বহর ও সেবার পরিসর দ্রুত বাড়িয়ে চলেছে।
যাত্রী পরিবহনের এই বিশাল বাজারে আধিপত্য বিস্তার করে আছে ইউরোপীয় বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিমানবহরের ৭০ শতাংশেরও বেশি বিমান তৈরি করেছে এয়ারবাস। দেশটির এভিয়েশন বাজারের এই প্রধান অংশীদারিত্ব বিমান খাতের সামগ্রিক উৎপাদনে তাদের গুরুত্ব তুলে ধরে।
তবে এই দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে খাতের সামনে নতুন কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো দক্ষ জনবলের অভাব। বিমান চলাচলের এই ক্রমবর্ধমান চাহিদা অব্যাহত রাখতে আগামী দিনে বিপুল সংখ্যক দক্ষ চালকের প্রয়োজন হবে।
এই বিশাল চাহিদার কথা মাথায় রেখে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে ভারতকে প্রায় ৩৫ হাজার নতুন পাইলট প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করতে হবে। প্রশিক্ষণের এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মাধ্যমে দেশটি ভবিষ্যতের এভিয়েশন খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করছে।








