বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ১৭ নেতা পেলেন সরকারি সংস্থার পদ
বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের শীর্ষ পদে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের ১৭ জন বর্তমান ও সাবেক নেতাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৩ জুলাই বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পান মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে সরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের শীর্ষ পদে বড় ধরনের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দেশটিতে বর্তমান ও সাবেক বিরোধী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং এর অঙ্গসংগঠনের ১৭ জন নেতাকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন নীত নির্ধারণী ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য তাদের এই পদগুলোতে বসানো হয়।
এই ধারাবাহিক নিয়োগের অংশ হিসেবে গত ২৩ জুলাই মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলকে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাকে বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফআইডিসি) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই নিয়োগের মধ্য দিয়ে তিনি সরকারি এই সংস্থায় শীর্ষ পدة দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই ১৭ জন বর্তমান ও সাবেক বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতার মধ্যে ১৫ জনই দায়িত্ব নেওয়ার সময় দলীয় পদে বহাল ছিলেন বলে জানা গেছে। দলীয় রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে সরকারের নীতিনির্ধারক ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে তাদের এই অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তবে সরকারি চাকointments বা দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু আইন ও বিধিমালা রয়েছে। বিশেষ করে সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে কঠোর বিধি নিষেধ প্রযোজ্য রয়েছে।
১৯৭৯ সালের সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালার ২৫ নম্বর বিধি অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই বিধি অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মচারী কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হতে পারবেন না কিংবা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা রাখতে পারবেন না।
এমতাবস্থায়, রাজনৈতিক দলের পদধারী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সরকারি সংস্থায় এই ধরনের শীর্ষ পদে নিয়োগ এবং সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালার বিধানগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানাবিধ প্রশ্ন ও আইনি পর্যালোচনা দেখা দিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং বিদ্যমান বিধিমালা কীভাবে সমন্বিত হচ্ছে, সে বিষয়েও জনমনে কৌতূহল রয়েছে।








