বাকৃবিতে স্টুডেন্ট অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে 'স্টুডেন্ট অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম' শীর্ষক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেইনস্ট্রিমিং জেন্ডার ইকুয়ালিটি ইন একাডেমিয়া (ম্যাজেন্ডা) প্রকল্পের আওতায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) সম্প্রতি 'স্টুডেন্ট অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম' শীর্ষক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান মহাসমারোহে সম্পন্ন হয়েছে। গত ১০ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। দেশের উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লিঙ্গসমতা এবং সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই বিশেষ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিযোগিতাটি 'মেইনস্ট্রিমিং জেন্ডার ইকুয়ালিটি ইন একাডেমিয়া (ম্যাজেন্ডা)' শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়ন করা হয়। প্রাতিষ্ঠানিক ও একাডেমিক পরিমণ্ডলে লিঙ্গসমতা নিশ্চিত করার বৃহত্তর লক্ষ্য নিয়ে এই ম্যাজেন্ডা প্রকল্পটি পরিচালিত হয়ে আসছে। আর এরই অংশ হিসেবে স্টুডেন্ট অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামটি সাজানো হয়েছিল।
অনুষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট একটি স্থান নির্ধারিত ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসের সভা কক্ষে এই সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। উক্ত সভা কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করার পর এর সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে এই আয়োজনের সমাপ্তি টানাহয়। ম্যাজেন্ডা প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে এই ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা তৈরি করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সবশেষে, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এই সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সফলভাবে শেষ হয়। কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসের সভা কক্ষে আয়োজিত এই জমকালো অনুষ্ঠানটি বিশ্ববিদ্যালয়টির অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ম্যাজেন্ডা প্রকল্পের এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।








