বাংলাদেশকে রিভিউ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়ায় সতর্ক হলেন স্টিভেন স্মিথ
বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচে রিভিউ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়ায় আম্পায়ারদের সতর্কতার মুখে পড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার স্টিভেন স্মিথ। এর আগে ডারউইন টেস্টে লিটন দাসের সঙ্গেও তার কথার লড়াই হয়েছিল।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটার স্টিভেন স্মিথকে বাংলাদেশকে রিভিউ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়ার কারণে আম্পায়াররা সতর্ক করেছেন। এই ঘটনাটি ক্রিকেট বিশ্বে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যকার মাঠের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। মাঠের উত্তাপ ছড়ানো এই ঘটনাটি ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর কেড়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছিল অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ের নবম ওভারে তাসকিন আহমেদের বলে। সেই মুহূর্তে বোলার ও ফিল্ডারদের করা আবেদন আম্পায়ার নীতিন মেনন নাকচ করে দিয়েছিলেন। আম্পায়ার যখন আবেদন নাকচ করেন, তখন পরিস্থিতি স্বাভাবিকই ছিল।
তবে পরিস্থিতি মোড় নেয় যখন স্টিভেন স্মিথ বাংলাদেশি দলকে রিভিউ নেওয়ার পরামর্শ দেন। স্মিথ নিজে থেকেই মাঠে এই পরামর্শ দেন এবং বলেন, নিয়ে নাও। তিনি আরও বলেন, আমি তো ওর দিকে অর্ধেক পিচ চলে এসেছি, বলটা অনেক ওপরে দিয়ে যাচ্ছে।
এই ঘটনার সময় ধারাভাষ্যেও নানা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। ব্রেন্ডন জুলিয়ান এবং কেরি ও’কিফ এই বিষয়ে মন্তব্য করেন। কেরি ও’কিফ স্মিথকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমি জানি, ৭০–এর দশকে আপনি (স্মিথ) এমনটা করলে সেটা গুরুতর শারীরিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াত।
স্মিথ তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে আরও কিছু মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, (রিভিউ) ব্যবহার করো। করো। নাও, ব্যবহার করো... আরেকটা রিভিউ নষ্ট করো। যা ইচ্ছা করো। নিজের কাজ করো। তার এমন মন্তব্যে মাঠের পরিবেশ আরও তপ্ত হয়ে ওঠে।
এর আগে ডারউইন টেস্টে লিটন দাসের সঙ্গে স্টিভেন স্মিথের কথার লড়াই হয়েছিল। সেই লড়াইয়ের সময় তাদের মধ্যে বিভিন্ন কথোপকথন হয়। লিটন দাস তাকে বলেন, তুমি ব্যাট করো। শুধু ব্যাট করে যাও। জবাবে স্মিথ বলেন, আমি ব্যাটই করছি। লিটন তখন বলেন, শুধু ব্যাটই করো। স্মিথ এর উত্তরে জানান, না, আমি যা চাই তা-ই করব। আমি যা চাই তা করতে পারি।
এই পুরো ঘটনার সঙ্গে নাজমুল হোসেন শান্ত, তাইজুল ইসলাম এবং ফক্স ক্রিকেটও সংশ্লিষ্ট প্রেক্ষাপটে আলোচনায় রয়েছে। ডারউইন বা ম্যাকাও কিংবা অস্ট্রেলিয়ার অন্যান্য ভেন্যুতে খেলা চলাকালীন এমন ঘটনা দুই দলের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আম্পায়ারদের সতর্কতা এবং খেলোয়াড়দের মাঠের এই আচরণ টেস্ট ক্রিকেটের উত্তেজনাকর মুহূর্তগুলোরই স্মারক হয়ে রইল।








