বন্ধ হয়ে গেল পিৎজা তৈরির রোবট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পিকনিক
দ্রুতগতির খাবারে অটোমেশনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে গত মে মাসে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে পিৎজা তৈরির যন্ত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পিকনিক। এর ফলে সিয়াটলের মটো পিৎজা রেস্তোরাঁয় আনা দুটি রোবট এখন অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

দ্রুতগতির খাবার বা ফাস্টফুড শিল্পে অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ এবং নানা জটিলতার মুখে পড়ে পিৎজা তৈরির যন্ত্র সরবরাহকারী মার্কিন প্রতিষ্ঠান পিকনিক গত মে মাসে হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেছে। সিয়াটেলভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটির আকস্মিক পতনে খাদ্যপ্রযুক্তি খাতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের মটো পিৎজা রেস্তোরাঁয় পিৎজা তৈরির জন্য আগে যে দুটি রোবট নিয়ে আসা হয়েছিল, তা এখন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে আছে। পিকনিকের সরবরাহ করা এই যন্ত্রগুলো একসময় পিৎজা তৈরির প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তনের আশা জাগালেও শেষ পর্যন্ত তা টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি।
খাদ্যপ্রযুক্তি ও অটোমেশন খাতের ভঙ্গুর দশা কেবল পিকনিকের পতনেই সীমাবদ্ধ নয়। পিকনিক ছাড়াও এই বাজারে টিকে থাকতে না পেরে জুমে, পাজ্জি এবং বাসিল স্ট্রিটের মতো আরও বেশ কিছু উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।
তবে বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রযুক্তির প্রতি অনেকের এখনো আগ্রহ রয়েছে। এর একটি বড় উদাহরণ হলো, সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়া জুমের তিনশরও বেশি পেটেন্ট কিনে নিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার আরেক প্রতিষ্ঠান মিসো রোবোটিকস।
খাদ্যশিল্পে রোবটের ব্যবহার নিয়ে কাজ করা উদ্যোক্তা ও বিশ্লেষকদের মধ্যে এ নিয়ে হতাশা তৈরি হয়েছে। পিকনিকের সঙ্গে যুক্ত লি কিনডেল এই পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, ব্যর্থতার কারণে আমি জানি না, আবার কোনো অংশীদারত্বে যেতে চাই কি না।
একই সুর প্রতিধ্বনিত হয়েছে সংশ্লিষ্ট অন্যদের গলাতেও। এই খাতের বর্তমান বাস্তব অবস্থা তুলে ধরে সারা সেনেটর মন্তব্য করেছেন যে, কেউ কেউ যেমনটা ভেবেছিলেন, এখন পর্যন্ত আমরা তেমন সাফল্যের গল্প দেখতে পাইনি।








