বন্দর থানায় জমি দখল ও নির্যাতনের অভিযোগ
বন্দর থানা এলাকায় জমি ও বাড়ি দখল এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর হান্নান ও তার সহযোগীরা জড়িত বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে আদালতে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বন্দর থানা এলাকায় জমি ও বাড়ি দখল এবং শারীরিক নির্যাতনের একটি গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি নির্দিষ্ট জমি ও বাড়ি, যা নিয়ে বর্তমানে আদালতে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অথচ আইনি লড়াই চলমান থাকা অবস্থাতেই সেখানে অনধিকার প্রবেশের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাবেক কাউন্সিলর হান্নান এবং তার ৮-১০ জন সহযোগী ওই বাড়ি ও জমিতে প্রবেশ করেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই দলবদ্ধ প্রবেশের সময় সেখানে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।
ঘটনার শিকার হয়েছেন বিউটি আক্তার ও সালমা বেগম। তাদের ওপর হামলা ও নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে অভিযোগে প্রকাশ পায়। এই পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে পুরো বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত পক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে সাবেক কাউন্সিলর হান্নান মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, 'যার বাড়ি তিনিই দখলে নিয়েছেন।' তার এই বক্তব্য এলাকায় আরও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ঘটনার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। এর অংশ হিসেবে বিউটি আক্তারের বোনকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। বর্তমানে এই আটকের বিষয়টি নিয়েও এলাকায় নানা আলোচনা চলছে।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ওসির ভূমিকা ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে সবার। আদালত অবমাননা বা আইনি প্রক্রিয়া চলাকালীন এমন বলপ্রয়োগের ঘটনায় পুলিশ কী আইনগত ব্যবস্থা নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন, আদালতের বিচারাধীন বিষয় নিয়ে এ ধরনের জবরদখল ও সংঘাত আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পারে। তাই দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত সত্য উদঘাটন ও আইনি পদক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।








