ফুলবাড়ীতে আলুর দরপতন, লোকসানে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় আলুর প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় এবং বাজারে চাহিদা কম থাকায় চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। হিমাগার থেকে আলু খালাস না করায় ৬২ কেজির বস্তায় গড়ে প্রায় ৪৬০ টাকা পর্যন্ত লোকসান হচ্ছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় উৎপাদিত আলুর প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় এবং বাজারে পর্যাপ্ত চাহিদা না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। বাজারে হঠাৎ করে দরপতন দেখা দেওয়ায় তাদের উৎপাদিত ফসল বিক্রি নিয়ে বড় ধরণের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বর্তমান বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী, বাজারে আলুর কাঙ্ক্ষিত দর না থাকায় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তারা ফুলবাড়ী কোল্ড স্টোরেজ থেকে তাদের সংরক্ষিত আলু খালাস করা থেকে বিরত রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফুলবাড়ী কোল্ড স্টোরেজে এ বছর বড় অংকের আলু সংরক্ষণ করা হয়েছিল। হিমাগারটিতে বর্তমানে মোট ১ লাখ ৭৮ হাজার বস্তা আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে। তবে বাজারের বর্তমান নিম্নগতির কারণে এই সংরক্ষিত আলু বাজারে ছাড়ার সাহস পাচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা।
হিসাব কষে দেখা গেছে, উৎপাদনে খরচ, পরিবহন ব্যয় এবং হিমাগার ভাড়া সবমিলিয়ে কৃষকদের বড় অংকের অর্থ ব্যয় হয়েছে। কিন্তু বাজারে আলুর দাম কমে যাওয়ায় এই বিনিয়োগ আর উঠে আসছে না।
এর ফলে উৎপাদন, পরিবহন ও হিমাগার ভাড়াসহ প্রতি ৬২ কেজি ওজনের বস্তায় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের গড়ে প্রায় ৪৬০ টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে। এই আকস্মিক দরপতন ও বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির কারণে স্থানীয় কৃষকদের ভবিষ্যৎ চাষাবাদ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাজারে চাহিদা কম থাকা এবং আলু খালাস না করার এই প্রবণতা ফুলবাড়ী উপজেলার কৃষি অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও ব্যবসায়ীরা এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।








