ফিলিস্তিন সংকট ও আন্তর্জাতিক নিষ্ক্রিয়তা: এক পর্যালোচনা
গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি নীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মতামত কলাম প্রকাশিত হয়েছে। এতে ১৯৪৮ সালের বাস্তুচ্যুতি থেকে শুরু করে বর্তমান ধ্বংসযজ্ঞের বিভিন্ন দিক উঠে এসেছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে গাজা এবং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি নীতি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তা এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর চলা নিপীড়ন নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মতামত বা অপ-এড নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এই নিবন্ধটিতে বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী সংকটকে নতুন করে সামনে এনেছে।
নিবন্ধটিতে ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে ১৯৪৮ সালে লাখ লাখ ফিলিস্তিনিকে তাদের ভিটেমাটি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল কিংবা তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। এই ঐতিহাসিক বাস্তুচ্যুতি ফিলিস্তিন সংকটের মূল ভিত্তি তৈরি করেছিল, যার রেশ আজও বিদ্যমান রয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের সাবেক প্রধান জিয়োরা আইল্যান্ডের একটি নির্মম মন্তব্য কলামটিতে উদ্ধৃত করা হয়েছে। গাজা পুনর্গঠন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, গাজা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে ইসরায়েলের কোনো আগ্রহ নেই। এটি আগামী কয়েক প্রজন্মের জন্য ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় থাকা আমাদের জন্য ভালো।
এই ধরনের নীতি ও বিবৃতির বিপরীতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ বলে কলামে ইঙ্গিত করা হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলোর নীতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে দেখা যায় যে, জার্মানি থেকে ইসরায়েলে অস্ত্র রপ্তানির লাইসেন্স দেওয়ার হার ক্রমাগত বাড়ছে, যা সংঘাত নিরসনের পরিবর্তে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছে।
এই সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানে কলামটি লিখেছেন নাসরিন মালিক। তার এই বিশ্লেষণে গাজা ও পশ্চিম তীরের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বিশ্ব মোড়লদের ভূমিকা নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বোর্ড অব পিস-এর মতো নাম ও সংস্থার প্রসঙ্গও এই সংকটের বহুমাত্রিক বৈশ্বিক অবস্থাকে নির্দেশ করে।
ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান এই নিপীড়ন এবং আন্তর্জাতিক নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য উঠে এসেছে এই লেখনীতে। ইফতেখারুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও ব্যক্তিত্বের আলোচনা থেকেও এই সংকটের তীব্রতা অনুধাবন করা সম্ভব হয়, যা বিশ্ববাসীর বিবেককে নাড়া দেওয়ার মতো।








