ফিফা আসিয়ান কাপের পরের রাউন্ডে যেতে আশাবাদী জামাল ভূঁইয়া
ফিফা আসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বে কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হলেও পরের রাউন্ডে যাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। শনিবার তিনি জানান, শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে লড়াই হলেও অত Dতদিনের সাফল্যের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চায় দল।
প্রকাশ: · আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৮:৩২· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ফিফা আসিয়ান কাপে দলের পরবর্তী রাউন্ডে খেলার ব্যাপারে তীব্র আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। শনিবার গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে তিনি এই টুর্নামেন্টে দলের লক্ষ্য ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, স্রেফ অংশ নেওয়ার মানসিকতা নিয়ে তারা টুর্নামেন্টে যাবেন না, বরং তাদের মূল লক্ষ্য পরের রাউন্ডে কোয়ালিফাই করা।
আসন্ন ফিফা আসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ বেশ কিছু শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। এই আসরে বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের প্রতিপক্ষ দলগুলো হলো মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের দিক থেকেও এই দলগুলোর অবস্থান বাংলাদেশের চেয়ে বেশ এগিয়ে রয়েছে, যা লড়াইয়ের কঠিন সমীকরণ তৈরি করেছে।
সর্বশেষ ফিফা র্যাঙ্কিং অনুযায়ী বাংলাদেশ ১৮১তম অবস্থানে রয়েছে। অন্যদিকে, তাদের প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়া ১১৮তম, মালয়েশিয়া ১৩৬তম এবং সিঙ্গাপুর ১৪৮তম অবস্থানে রয়েছে। এই পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট যে গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ হতে যাচ্ছে।
প্রতিপক্ষের শক্তি ও নিজেদের র্যাঙ্কিংয়ের ব্যবধান নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বলেন, 'আমরা জানি, এটা কঠিন হতে যাচ্ছে। সত্যি বলতে, ম্যাচগুলো খুব কঠিন হবে। কারণ ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া দুটি দলই অত্যন্ত শক্তিশালী।'
তবে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ দেখে পিছিয়ে পড়তে নারাজ বাংলাদেশ দল। অতীতে বড় দলের বিপক্ষে সফল লড়াইয়ের স্মৃতি টেনে এনে জামাল ভূঁইয়া স্মরণ করিয়ে দেন ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসের কথা। সেবার ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের গ্রুপে ছিল উজবেকিস্তান, থাইল্যান্ড ও কাতারের মতো বড় দলগুলো।
তduকালীন সেই কঠিন পরিস্থিতি নিয়ে জামাল ভূঁইয়া বলেন, 'তবে ২০১৮ সালে আমরা যখন ইন্দোনেশিয়ায় ছিলাম, তখন আমাদের গ্রুপে উজবেকিস্তান, থাইল্যান্ড ও কাতারের মতো বড় দল ছিল। তখন কেউই বিশ্বাস করেনি যে আমরা পরের রাউন্ড, শেষ ষোলোতে যেতে পারবো।'
অতীতে সেই অবিশ্বাসের দেয়াল ভেঙে দল সফল হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, 'কিন্তু আমরা ঠিকই সেটা করেছিলাম এবং পরের রাউন্ডে উঠেছিলাম। এবারও তেমন কিছু ঘটতে পারে।' নিজের এবং দলের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়ে তিনি যোগ করেন, 'আমরা কোয়ালিফাই করতে চাই। একটা টুর্নামেন্টে আপনি এই মনোভাব নিয়ে যেতে পারেন না যে, এখানে স্রেফ অংশ নেওয়ার জন্য এসেছি। কিন্তু না এরকম না। সবার কাছে প্রত্যাশা আছে, আমার কাছেও প্রত্যাশা আছে এবং আমি মনে করি, দলে যারা আছে, তাদের সবার আকাঙ্ক্ষা আছে পরের রাউন্ডে যাওয়ার।'








