প্রবাসীদের রেমিট্যান্স এবং আর্থিক নিরাপত্তা ও বিনিয়োগ ঝুঁকি
বিশ্বের ১৭০টিরও বেশি দেশে দেড় কোটির বেশি বাংলাদেশি কর্মরত আছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে দেশে ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের ১৭০টিরও বেশি দেশে বর্তমানে কাজ করছেন প্রায় দেড় কোটিরও বেশি বাংলাদেশি। কঠোর পরিশ্রম করে তারা দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে দেশে ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এই বিশাল অংকের অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করতে বড় অবদান রাখছে। তবে এই আয়ের সঙ্গে প্রবাসীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও বিনিয়োগ নিয়ে নানা প্রশ্ন ও ঝুঁকিও জড়িত রয়েছে।
বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে জমানো অর্থ দেশে পাঠানোর পর তা সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে প্রায়ই বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। অনেক সময় প্রবাসীরা দেশে নানা ধরনের আর্থিক প্রতারণা ও বিনিয়োগ ঝুঁকির শিকার হন। এর ফলে তাদের কষ্টার্জিত সঞ্চয় হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্টদের নজর দেওয়া প্রয়োজন। Refugee and Migratory Movements Research Unit (RMMRU), International Organization for Migration (IOM), J.P. Morgan এবং Morningstar-এর মতো বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার ও আর্থিক সুরক্ষা নিয়ে কাজ করে থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং তাদের প্রতারণা থেকে রক্ষা করতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। সাইফুল হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, প্রবাসীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে তা দেশের সামগ্রিক টেকসই উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।








