প্রকাশিত হলো বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি ফলাফল
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর পরীক্ষায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। ২৭ আগস্ট দেশজুড়ে এই ফলাফল প্রকাশিত হয়। উন্মুক্ত শিক্ষার মাধ্যমে যারা মাধ্যমিক শিক্ষা অর্জনের সুযোগ নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। প্রতি বছরের মতো এবারও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এই ফলাফল প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এই এসএসসি পরীক্ষায় সার্বিক বা গড় পাসের হার ৬৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ। বাউবির অধীনে শিক্ষা গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ এই পরীক্ষায় অংশ নেন। প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষ মিলিয়ে এ বছর মোট ৩০ হাজার ৮১৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধিত হয়েছিলেন বা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এবারের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন মোট ১২ হাজার ২৪ জন শিক্ষার্থী। দীর্ঘ প্রস্তুতি ও পরীক্ষা গ্রহণের পর এই পরীক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়ন শেষে ফলাফল প্রস্তুত করা হয়। চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হতে পেরেছেন।
বাউবির প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ১২ হাজার ২৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ৭ হাজার ৬৬৪ জন। অর্থাৎ, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী সফলতার সঙ্গে মাধ্যমিক স্তরের এই ধাপ অতিক্রম করেছেন।
উত্তীর্ণ মোট ৭ হাজার ৬৬৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র এবং ছাত্রীদের আলাদা হিসাব প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ বছর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মোট ছাত্রের সংখ্যা ৪ হাজার ৭২৫ জন। অন্যদিকে, সফলভাবে উত্তীর্ণ ছাত্রীর সংখ্যা ২ হাজার ৯৩৯ জন। সার্বिक ফলাফলে ছাত্র ও ছাত্রী উভয় অংশই সন্তোষজনক উপস্থিতি দেখিয়েছেন।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত এই এসএসসি কর্মসূচির ফলাফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের উচ্চতর শিক্ষার পথ উন্মুক্ত হলো। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা এখন পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবেন। বাউবি কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।








