পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে। নতুন এসব অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাদের প্রধান করে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর মাধ্যমে রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে এবং নতুন চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই পুনর্গঠিত পরিষদে মূলত বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাদের প্রধান করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার। এছাড়া এই পরিষদে সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কাজল তালুকদার, মোঙ্গল চন্দ্র পাল, মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ, শাশ্বত চাকমা, বিল্টু চাকমা, সুবিমল চাকমা, পাইচিং মং মারমা, অনিল বরণ চাকমা, উথোয়াইমং মারমা, তিমথী খিয়াং, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ ফারুক, নন্দিতা দাশ ও চন্দ্রা চাকমা।
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির উপজাতিবিষয়ক সম্পাদক মাম্যাচিং মারমাকে। বান্দরবান পরিষদে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সুপর্ণ দেব বর্মণ, প্রেমা তালুকদার, আনন্দ তিষ্য চাকমা, চনুমং, মংক্যনু মারমা, লুসাই মং, মাওসেতুং তংচংগ্যা, দনওয়াই লো, আগস্টিন ত্রিপুরা, অংজাই উই চাক, রিয়াল দাও বম, আবদুল মাবুদ, মশিউর রহমান ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সংস্থার সাবেক হিসাবরক্ষক ম্রাসাথোয়াই মারমাকে। খাগড়াছড়ি পরিষদে সদস্য পদে নিয়োগ পেয়েছেন ক্যউ প্রু খিয়াং, উম্যাসিং মার্মা, কাজী নিরুতাঞ্জ বেগম, শেফালিকা ত্রিপুরা, মো. নুরুল আবছার, মো. আ. মালেক, মোশাররফ হোসেন, ক্ষেত্র মোহন রোয়াজা, খনি রঞ্জন ত্রিপুরা, রিপল চাকমা, শান্তিপ্রিয় চাকমা, দেব রানী চাকমা,ায়ণ ত্রিপুরা ও রুমেল মারমা।
প্রতিটি জেলা পরিষদে চেয়ারম্যানের পাশাপাশি চৌদ্দ জন করে সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই পরিষদের সঙ্গে মংসাপ্রু চৌধুরী, ক্যরী মগ, তাছলিমা সিরাজ সিমা ও কুহেলী দেওয়ানসহ বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ এবং সংগঠনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া এই প্রক্রিয়ায় ছাত্রদল, সাজেক রিসোর্ট অ্যান্ড কটেজ মালিক সমিতি, বাংলাদেশ মারমা ঐক্য সমিতি, কৃষক দল ও মহিলা দলের মতো বিভিন্ন সংগঠন এবং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও আলোচনায় এসেছে।
প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে পরিষদের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন আনন্দ তিষ্য চাকমা। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পুনর্গঠিত অন্তর্ভর্তীকালীন পরিষদ স্ব স্ব জেলা পরিষদ আইন এবং এর সংশোধনীগুলোর বিধান অনুযায়ী পরিষদের সব দায়িত্ব পালন করবে। বৃহস্পতিবার এই পরিবর্তন ও নিয়োগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়।








