পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যাত্রা শুরু করল বাংলাবিন
পরিবেশ রক্ষায় অভিনব উদ্যোগ নিয়ে বর্জ্য সংগ্রহ ও রিসাইক্লিংয়ের কাজ শুরু করেছে ‘বাংলাবিন’। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ঢাকায় যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে ২০ হাজারের বেশি গ্রাহককে সেবা দিয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

পরিবেশবান্ধব বর্জ্য সংগ্রহ এবং রিসাইক্লিংয়ের লক্ষ্য নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে নতুন একটি উদ্যোগ ‘বাংলাবিন’। রাজধানীর ঢাকায় ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে এই প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এক নতুন ধারার সূচনা করেছে এই প্রতিষ্ঠানটি, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
উদ্যোগটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আশরাফুল মুনতাসির। তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁরই দূরদর্শী চিন্তাভাবনায় মূলত এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগটি আলোর মুখ দেখেছে।
যাত্র শুরুর পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাবিন এখন পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি গ্রাহককে সফলভাবে সেবা দিয়েছে। নগরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করে তা সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করার ক্ষেত্রে তারা বিশেষ ভূমিকা রাখছে।
সংগৃহীত এসব বর্জ্য রিসাইকেল করার পর সেগুলোর একটি বড় অংশ কাঁচামাল হিসেবে সরবরাহ করা হয়। দেশের শীর্ষস্থানীয় বেশ কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠান, যেমন আকিজ গ্রুপ ও আরএফএলের মতো বড় প্রতিষ্ঠানের কাছে এই কাঁচামাল পৌঁছে দেওয়া হয়, যা শিল্প উৎপাদনেও অবদান রাখছে।
বর্জ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন উপকরণের নির্ধারিত মূল্যও রয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে তামা প্রতি কেজি ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা দরে এবং পিতল ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা দরে হিসাব করা হয়।
এ ছাড়া অন্যান্য উপকরণের মধ্যে অ্যালুমিনিয়াম প্রতি কেজি ২১০ থেকে ২৫০ টাকা, লোহা ৩৫ থেকে ৪০ টাকা এবং প্লাস্টিক ও টিন ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে সংগ্রহ ও মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে।
এই উদ্যোগের পেছনের দর্শন সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আশরাফুল মুনতাসির একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, ফেলে দেওয়া জিনিসেরও নতুন করে মূল্যায়ন করার সুযোগ আছে।”








