পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক
সম্প্রতি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া হুমায়ুন কবীরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ও সাংবিধানিক যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি আড়াই বছর বয়সে যুক্তরাজ্যে যান এবং লেবার পার্টির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সংবিধানের ৬৬ ধারার আলোকে তাঁর এই পদে থাকা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

গত শুক্রবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (টেকনোক্র্যাট) হিসেবে শপথ নিয়েছেন হুমায়ুন কবির। এর আগে তিনি প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর এই নিয়োগ এবং সাংবিধানিক যোগ্যতা নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা ও পর্যালোচনার সূত্রপাত হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, হুমায়ুন কবির সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বয়স যখন মাত্র আড়াই বছর, তখন তিনি পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে চলে যান। পরবর্তী সময়ে তিনি সেখানে পড়াশোনা ও পেশাগত জীবন অতিবাহিত করার পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এবং দেশটির নাগরিকত্ব অর্জন করেন।
দায়িত্ৰ গ্রহণের ক্ষেত্রে তাঁর পদক্ষেপে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর পরদিন অর্থাৎ ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনি তাঁর সাধারণ পাসপোর্ট বা সবুজ পাসপোর্ট জমা দিয়ে লাল পাসপোর্ট গ্রহণ করেন।
তবে তাঁর এই পদে থাকা নিয়ে মূল আইনি ও সাংবিধানিক প্রশ্নটি উঠেছে সংবিধানের দুটি ধারার আলোকে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ ধারায় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগের বিধান রয়েছে, যার অধীনে তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
অন্যদিকে, সংবিধানের ৬৬ ধারার ২(গ) অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি যদি বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা বজায় রাখেন, তবে তিনি সংসদের সদস্য হওয়ার যোগ্য হবেন না। এই সাংবিধানিক বিধানের সঙ্গে তাঁর ব্রিটিশ নাগরিকত্বের বিষয়টি কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তা নিয়ে এখন নানা মহলে প্রশ্ন ও আলোচনা চলছে।








