নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম ও সৌর যন্ত্রপাতির শুল্ক ছাড় অনুমোদিত
বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিম্নস্তরের প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের ন্যূনতম দাম বাড়িয়ে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ খাতের যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক ছাড় এবং হংকংয়ের সাথে ১০ বছর মেয়াদি বিনিয়োগ চুক্তির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত ও প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিম্নস্তরের সিগারেটের নতুন মূল্য নির্ধারণ, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক-কর ছাড় এবং হংকংয়ের সাথে একটি দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি। সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে এই সিদ্ধান্তগুলো অনুমোদন পেয়েছে।
মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর আওতায় নিম্নস্তরের সিগারেটের ন্যূনতম মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশোধিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিম্নস্তরের প্রতি ১০ শলাকা প্যাকেটের নতুন ন্যূনতম দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫ টাকা। পূর্বে এই দাম ছিল ৬২ টাকা।
তবে নিম্নস্তর ছাড়া সিগারেটের অন্যান্য স্তরের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মধ্যম স্তরের প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের দাম ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের সিগারেটের দাম ১৬০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেটের দাম ২১০ টাকা ও তদূর্ধ্ব বহাল রয়েছে।
বৈঠকে জ্বালানি খাতের প্রসারেও বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক-কর ছাড়ের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
এই খাতের আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮০ দিন। এই সময়ের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শুল্ক রাখা হয়েছে মাত্র ১ শতাংশ।
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিধি বাড়াতে পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ সুরক্ষা ও সম্প্রসারণে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
উভয় পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত হতে যাওয়া এই দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ বছর। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই অঞ্চলের মধ্যে বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।








