ধানমন্ডির এলিফ্যান্ট রোডে ককটেলসদৃশ বস্তু উদ্ধার
রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের একটি সড়কে লাল স্কচটেপে মোড়ানো কয়েকটি অবিস্ফোরিত ককটেলসদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সিটিটিসির বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তুগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকার এলিফ্যান্ট রোডের সড়কে কয়েকটি অবিস্ফোরিত ককটেলসদৃশ বস্তু পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় জনসাধারণ হঠাৎ করে সড়কে এই সন্দেহজনক বস্তুগুলো দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করেন।
প্রাথমিকভাবে লাল স্কচটেপে মোড়ানো এই বস্তুগুলো সাধারণ মানুষের নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরপর স্থানীয়রা দ্রুত পুলিশকে খবর দেন। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশের সংশ্লিষ্ট ইউনিট দ্রুততার সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে।
এই ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম। তিনি জানান যে, লাল স্কচটেপে মোড়ানো বস্তুগুলো দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের কাছ থেকে সংবাদ পাওয়ার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে বিষয়টি অবহিত করে। পরবর্তীতে সিটিটিসির বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিশেষজ্ঞ দলটি বস্তুগুলো নিবিড়ভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সেগুলো নিরাপদে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যায়। বর্তমানে বস্তুগুলো ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে।
উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলো প্রকৃতপক্ষেই ককটেল ছিল নাকি নিছক ককটেলসদৃশ কোনো বস্তু ছিল, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ প্রসঙ্গে ডিএমপির রমনা জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, সেগুলো আসলেই ককটেল নাকি ককটেলসদৃশ কোনও বস্তু, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যাবে।
এ ঘটনায় ইতোমধ্যে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী দল কাজ শুরু করেছে। সামগ্রিক বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবং এর সঙ্গে কে বা কারা জড়িত থাকতে পারে তা উদঘাটন করতে বর্তমানে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।








