দেশে প্রথমবারের মতো ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান
রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে সম্প্রতি প্রথমবারের মতো আয়োজিত হলো ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান। ইউএন গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ ও ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে ২০টি বিভাগে ৩২টি প্রতিষ্ঠান ও তিনজন ব্যক্তিকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে দেওয়া হলো 'ইএসজি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড'। গত শনিবার রাজধানী ঢাকার গুলশানের লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশগত, সামাজিক ও করপোরেট গভর্ন্যান্সের (ইএসজি) বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে যৌথভাবে এই আয়োজনের নেপথ্যে ছিল ইউএন গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ ও ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ। এছাড়া এই পুরো আয়োজনে বিশেষ সহযোগিতা প্রদান করে জনপ্রিয় সুপার শপ ব্র্যান্ড স্বপ্ন সুপার শপ। দেশের করপোরেট ও অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলে টেকসই চর্চাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মোট ২০টি বিভাগে ৩২টি প্রতিষ্ঠান ও তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, "জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অর্থবহ অগ্রগতি আসবে কারখানার উৎপাদনব্যবস্থা এবং পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত থেকে।"
অনুষ্ঠানে টেকসই চর্চার নানা দিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন বক্তারা। ইউএন গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের প্রতিনিধি শাহামিন এস. জামান তাঁর বক্তব্যে বলেন, "প্রতিষ্ঠানগুলো কী বিশ্বাস করে সেটি নয়, বাস্তবে কী প্রমাণ দেখাতে পারে—ইএসজি নিয়ে আলোচনা এখন সেদিকেই যাচ্ছে।" এছাড়া ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের শাদমান সাকিব অনিক জানান, ভবিষ্যৎ অংশগ্রহণকারীদের জন্য একটি মানদণ্ড তৈরি করাই এই পুরস্কারের অন্যতম লক্ষ্য।
এবারের আয়োজনে মর্যাদাপূর্ণ 'চ্যাম্পিয়নিং ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাওয়ার্ড' অর্জন করেছেন তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁরা হলেন উর্মি গ্রুপের পরিচালক শামারুখ ফখরুদ্দীন, র্যানকন ইনফ্রাস্ট্রাকচারস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মো. সুবাইল বিন আলম এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস. এম. মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফারুক সোবহান ও নুজহাত আনোয়ারসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এবং বিভিন্নভাবে সম্পৃক্ত থাকা উল্লেখযোগ্য অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে এনভয় টেক্সটাইলস, কিউ কালেকশন, মাসকো গ্রুপ, ফকির ফ্যাশন, ভিনটেজ ডেনিম, পালমাল গ্রুপ, এনার্জিপ্যাক ফ্যাশনস, ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস, গ্রামীণফোন, রবি আজিয়াটা, বাংলালিংক, বিকাশ, এসিআই লজিস্টিকস (স্বপ্ন), কোকা-কোলা বাংলাদেশ, বাটা বাংলাদেশ, রেকিট বেনকিজার, সিটি ব্যাংক, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স, বিএসআরএম গ্রুপ, বার্জার পেইন্টস, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, ডিবিএল সিরামিকস, আকিজ গ্রুপ, ডাচ্-বাংলা প্যাক,ূতন বিদ্যুৎ, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ল্যাবএইড ক্যানসার হসপিটাল, সিনজেনটা বাংলাদেশ এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি।








