মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
BDRevise24 — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আরাকুল মঠে পাখিদের আবাস সংকট

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের পুরোনো ও জরাজীর্ণ আরাকুল মঠের দেওয়ালে ছোট ছোট গর্ত ও কুলুঙ্গিতে শালিক, টিয়াসহ নানা পাখি বসবাস করত। তবে আশপাশের জলাশয় ভরাট, নগরায়ণ ও পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে পাখিদের এই আবাসস্থল সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আরাকুল মঠে পাখিদের আবাস সংকট

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের পুরোনো ও জরাজীর্ণ আরাকুল মঠটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিচিত। ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যগত পরিচয়ের পাশাপাশি এই প্রাচীন কাঠামোটি দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রজাতির পাখির নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশেষ করে মঠের দেয়ালের ছোট ছোট গর্ত এবং বিভিন্ন কুলুঙ্গিতে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি তাদের আবাস গড়ে তুলেছিল।

প্রথম আলোর তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের এই জরাজীর্ণ আরাকুল মঠের দেওয়ালে গড়ে ওঠা প্রাকৃতিক আবাসে সাধারণত শালিক, টিয়াসহ নানা ধরনের পাখি বসবাস করে। এসব গর্ত ও কুলুঙ্গি পাখিগুলোর প্রজনন এবং নিয়মিত আশ্রয়ের জন্য অত্যন্ত উপযোগী ছিল। স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে পাখিগুলো যুগ যুগ ধরে এই পুরোনো মঠটিকে নিজেদের আবাস হিসেবে বেছে নিয়েছিল।

তবে সময়ের পরিবর্তনে ঐতিহাসিক এই মঠটির আশপাশের এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশে বড় ধরনের বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে আশপাশের জলাশয়গুলো ক্রমান্বয়ে ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে পাখিদের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে। জলাশয়গুলো শুকিয়ে যাওয়া বা ভরাট করার ফলে পাখিগুলোর প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পানির উৎস মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে গেছে।

জলাশয় ভরাটের পাশাপাশি দ্রুতগতির অপরিকল্পিত নগরায়ণও এই এলাকার পরিবেশগত পরিবর্তনের মূল কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে। নগরায়ণের বিস্তৃতির ফলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আরাকুল মঠের চারপাশের সবুজ ও উন্মুক্ত পরিবেশ হারিয়ে যাচ্ছে। এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সেখানে বসবাসরত পাখিগুলোর ওপর, যা তাদের টিকে থাকার পথকে দিন দিন অনিশ্চিত করে তুলছে।

পরিবেশের এই সার্বিক পরিবর্তনের ফলে জরাজীর্ণ মঠের দেওয়ালে থাকা পাখিদের ঐতিহ্যবাহী আবাসস্থল সংকুচিত হয়ে আসছে। পাখিদের টিকে থাকার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হওয়ায় শালিক ও টিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এ অবস্থায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আরাকুল মঠের মতো প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক আশ্রয়স্থলগুলোর সুরক্ষা এবং পাখিদের আবাস রক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

মডারেশনের পর প্রকাশিত হবে।

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
শেষ হচ্ছে সিরামিকশিল্পী আনিসুল হকের একক প্রদর্শনী
জীবনযাপন

শেষ হচ্ছে সিরামিকশিল্পী আনিসুল হকের একক প্রদর্শনী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের জয়নুল গ্যালারিতে চলছে সিরামিকশিল্পী মো. আনিসুল হকের তৃতীয় একক প্রদর্শনী। আজ ২২ সেপ্টেম্বর এই প্রদর্শনীর শেষ দিন।

১ মিনিট পড়া
যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হলো বিশ্বের দীর্ঘতম মাংসের স্ন্যাকস
জীবনযাপন

যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হলো বিশ্বের দীর্ঘতম মাংসের স্ন্যাকস

যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যে কনাগ্রা ব্র্যান্ডস ৪২৯ ফুট ৫ দশমিক ৪ ইঞ্চির স্লিম জিম তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। পূর্বের রেকর্ডের তুলনায় এটি ১১৬ ফুট বড়। গিনেস কর্র্তৃপক্ষের বিচারক এটি যাচাই ও পরিমাপ করেছেন।

১ মিনিট পড়া
লন্ডনে এইচঅ্যান্ডএমের শোতে পেটার পশমবিরোধী বিক্ষোভ
জীবনযাপন

লন্ডনে এইচঅ্যান্ডএমের শোতে পেটার পশমবিরোধী বিক্ষোভ

১৭ সেপ্টেম্বর লন্ডনের অলিম্পিয়া হলে এইচঅ্যান্ডএমের ফ্যাশন শো চলাকালে পশম ব্যবহারের প্রতিবাদ জানান পেটার কর্মীরা। নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বের করে দিলে শো চলতে থাকে। এর আগে নিউইয়র্কেও কসের শোতে এমন বিক্ষোভ হয়েছিল।

১ মিনিট পড়া
বান্দরবানে শুরু হয়েছে তিন দিনের পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী
জীবনযাপন

বান্দরবানে শুরু হয়েছে তিন দিনের পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী

বান্দরবান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গতকাল শুক্রবার পোহ-চগ্রু সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সামগ্রী ও লোকজ জ্ঞান নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামীকাল রোববার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER