তীব্র দাবদাহ ও খরার মুখে ফ্রান্সের কৃষি উৎপাদন
সাম্প্রতিক দাবদাহ ও খরার কারণে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে ফ্রান্সের কৃষি উৎপাদন ও অর্থনীতি। এর প্রভাবে চলতি বছর দেশটির কৃষি খাতের উৎপাদন ৮ শতাংশ কমতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সাম্প্রতিক তীব্র দাবদাহ ও খরার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফ্রান্সের কৃষি উৎপাদন এবং সামগ্রিক অর্থনীতি। বৈরী আবহাওয়া ও জলবায়ুর চরম প্রভাবে দেশটির কৃষিখাত এখন এক গভীর সংকটের মুখে পড়েছে।
ফ্রান্স ২৪-এর তথ্যানুযায়ী, দেশটিতে সাম্প্রতিক সময়ে বয়ে যাওয়া তীব্র দাবদাহ এবং দীর্ঘমেয়ায়ী খরার ফলে কৃষি উৎপাদন নাটকীয়ভাবে পতন হয়েছে। প্রকৃতির এই চরম প্রতিকূলতার কারণে দেশটির কৃষকদের উৎপাদন কার্যক্রমে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জেরে দেশটির কৃষিখাতের আর্থিক প্রবৃদ্ধির ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে চলেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সাল জুড়ে ফরাসি কৃষি খাতের তৈরি হওয়া মোট সম্পদ বা সম্পদ উৎপাদন ৮ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কৃষি খাতের এই উৎপাদন হ্রাসের মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব কেবল কৃষিকাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। এর বহুমুখী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা নক-অন ইফেক্ট সরাসরি দেশের অর্থনীতির ওপরও গিয়ে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কৃষি খাতের এই ধস এবং এর আনুষঙ্গিক প্রভাবে চলতি ২০২৬ সালে ফরাসি অর্থনীতির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এর ফলে দেশের মোট জিডিপি বা প্রবৃদ্ধির হার থেকে আনুমানিক ০ দশমিক ১ শতাংশ পয়েন্ট কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট এই তীব্র দাবদাহ ও খরা ফ্রান্সের কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে যে বড় ঝুঁকিতে ফেলছে, সাম্প্রতিক এই পরিসংখ্যানগুলো তারই স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরে। দেশটির নীতিনির্ধারক ও অর্থনীতিবিদরা এখন এই পরিস্থিতি উত্তরণের উপায় নিয়ে ভাবছেন।








