ঢাকায় ১২ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬
রাজধানীর নভোথিয়েটারে আগামী ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। মেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে 'Innovate to Market'। বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দুপুর ৩:৪৭· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’। এই মেলা আগামী ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর তিন দিনব্যাপী ঢাকার নভোথিয়েটারে অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার ঢাকায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এবারের মেলার মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘Innovate to Market’। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর এই মেলা বাস্তবায়ন করছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, এই মেলায় ব্যক্তিগত উদ্ভাবক ও স্টার্টআপ ফাউন্ডারসহ ১০০ জনেরও বেশি উদ্ভাবক অংশ নেবেন। তারা এক হাজারেরও বেশি উদ্ভাবন সবার সামনে প্রদর্শন করবেন। দেশজুড়ে উদ্ভাবনী কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে এই আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশ থেকে মোট ৭৩টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এই ইনোভেশন ফেয়ারে অংশ নেবে। এর মাধ্যমে তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণাগুলো বড় পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, মেলার তিন দিনে মোট ১৭টি সেশন ও সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে ৬টি প্লেনারি সেশন, ৬টি প্যারালাল সেশন এবং ৫টি গোলটেবিল বৈঠক। এই সেশনগুলোতে দেশের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও অর্থনীতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করা হবে।
বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এ মোট ১৪টি অগ্রাধিকার খাত নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব খাতের ওপর ভিত্তি করেই মেলার বিভিন্ন প্রদর্শনী ও আলোচনা সাজানো হয়েছে। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে বাজারের সাথে যুক্ত করাই এসব খাতের মূল লক্ষ্য।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তারা উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে সমন্বয়ের ওপর জোর দেন। এ প্রসঙ্গে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, “উদ্ভাবন কখনোই বিচ্ছিন্নভাবে বিকশিত হতে পারে না। এর জন্য সরকার, শিক্ষাঙ্গন, শিল্পখাত, অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।”
এই প্রেস ব্রিফিংয়ে সরকারের বিভিন্ন নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ফকির মাহবুব আনাম, তারেক রহমান এবং মো. আনোয়ার হোসেনের নাম রয়েছে। এছাড়া এই আয়োজনের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), দ্য ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই), জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর এবং স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেড যুক্ত রয়েছে।








