ঢাকায় তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬ শুরু
ঢাকার নভোথিয়েটারে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর নভোথিয়েটারে তিন দিনব্যাপী 'বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬' আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলা ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত তিন দিন ধরে চলে। দেশের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী খাতের এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনটি নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।
মেলাটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের প্রযুক্তিবিদ, গবেষক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা ধরনের উদ্ভাবনী প্রকল্পের প্রদর্শন করা হয়। আয়োজকদের সূত্রে জানা যায়, এবারের মেলায় এক হাজারেরও বেশি উদ্ভাবন প্রদর্শিত হয়েছে, যা দেশীয় প্রযুক্তির মুন্সিয়ানা ফুটিয়ে তুলেছে।
দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণে এই মেলা আরও সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। মেলায় দেশের ৫০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে তাদের শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্প তুলে ধরে। তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের এই অংশগ্রহণ মেলাকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।
শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি করপোরেট খাতের প্রতিনিধি ও শিল্প বিশেষজ্ঞরা এই মেলায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। মেলায় অর্ধশতাধিক বা ৫০টিরও বেশি করপোরেট প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম ও প্রযুক্তিগত উদ্যোগ তুলে ধরে। এছাড়া বিভিন্ন সেশন ও আলোচনায় শতাধিক শিল্প বিশেষজ্ঞ অংশ নেন।
এই মেলা আয়োজনে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ বা ইউউল্যাব এবং সামসাদ মর্তূজা, ফকির মাহবুব আনাম ও রেহান আসিফ আসাদের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। মেলায় অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদানে এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি মেলায় রূপ নেয়।
উল্লেখ্য, ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত চলা এই তিন দিনব্যাপী মেলাটি দর্শনার্থী ও প্রযুক্তিপ্রেমীদের ভিড়ে মুখরিত ছিল। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগ দেশের তরুণ প্রজন্মকে নতুন নতুন উদ্ভাবনে উৎসাহিত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।








