ডিজিটাল ওয়ালেটে মোবাইল ড্রাইভার্স লাইসেন্স ও গোপনীয়তা বিতর্ক
ডিজিটাল ওয়ালেটে মোবাইল ড্রাইভার্স লাইসেন্স বা এমডিএল যুক্ত করার প্রক্রিয়া এবং ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা নিয়ে নানা তথ্য সামনে এসেছে। অ্যাপল ও গুগল ডাটা এনক্রিপ্ট করার পাশাপাশি বায়োমেট্রিক বা স্ক্রিন লক বাধ্যতামূলক করেছে। তবে এ বিষয়ে গোপনীয়তার বিতর্কও রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ডিজিটাল ওয়ালেটে ড্রাইভার্স লাইসেন্স যুক্ত করার ক্ষেত্রে মানদণ্ডভিত্তিক মোবাইল ড্রাইভার্স লাইসেন্স বা এমডিএল ব্যবহার করা হয়। এই ডিজিটাল লাইসেন্সে এমন সব তথ্য থাকে যা ডিজিটালি সাইন করা বা স্বাক্ষরিত। এনগ্যাজেটসহ বিভিন্ন সূত্রে এই প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া ও এর সুরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করতে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল ও গুগল বিশেষ ব্যবস্থা রেখেছে। এই দুই প্রতিষ্ঠানই ড্রাইভার্স লাইসেন্স এবং আইডি ডাটা এনক্রিপ্ট বা সংকেতায়িত করে। এছাড়া যেকোনো ধরনের তথ্য শেয়ার করার আগে বায়োমেট্রিক বা স্ক্রিন লক অথেন্টিকেশন বা অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি দেখভালকারী আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব মোটর ভেহিকল অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস বা এএএমভিএ কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। সংগঠনটি তাদের ২০২৫ সালের এবং পরবর্তীতে জুলাই ২০২৫ বা জুলাই ২০২৬ সালের নির্দেশিকায় সার্ভার রিট্রিভাল বা সার্ভার থেকে তথ্য পুনরুদ্ধার নিষিদ্ধ করেছে।
ডিজিটাল ওয়ালেটে থাকা লাইসেন্স হারিয়ে গেলে বা ডিভাইস চুরি হলে তা দূর করার কার্যকর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। অ্যাপল ওয়ালেট ব্যবহারকারীরা ফাইন্ড মাই ফিচারের মাধ্যমে তাদের হারিয়ে যাওয়া ডিভাইসটি সম্পূর্ণ মুছে ফেলতে পারেন। এর ফলে ড্রাইভার্স লাইসেন্স বা আইডিসহ ওয়ালেটে থাকা সমস্ত কার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়।
অন্যদিকে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্যও দূরবর্তী বা রিমোট প্রক্রিয়ায় তথ্য মুছে ফেলার সুবিধা রয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা তাদের গুগল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দূর থেকেই ড্রাইভার্স লাইসেন্স বা স্টেট আইডি রিমুভ বা অপসারণ করতে পারেন।
এই পুরো প্রযুক্তিগত সম্প্রসারণের পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা নিয়ে সেন্টার ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড টেকনোলজি এবং আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন বা এসিএলইউর মতো সংস্থাগুলো তাদের মতামত ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নিউ জার্সি রাজ্য সরকারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই এমডিএল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং এর গোপনীয়তা বিতর্ক নিয়ে আলোচনা চলছে।








