ডিএল ফিলিং স্টেশনের ১ কোটি ২১ লাখ টাকা লুটে গ্রেপ্তার ৩
রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় ডিএল ফিলিং স্টেশনের ১ কোটি ২১ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। অভিযানে মোট ৪৮ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মেহেরপুরে অনলাইন জুয়ার এজেন্টের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় ডিএল ফিলিং স্টেশনের এক কোটি ২১ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবায়নকারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এই অভিযানে র্যাবের পক্ষ থেকে মোট ৪৮ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, গত ৯ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০ টায় রাজধানীর ডিএল ফিলিং স্টেশনের এক কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে লাল রঙের ছোট কাভার্ড ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়ার সময় সশস্ত্র ডাকাত দল পথরোধ করে এই অর্থ লুট করে নিয়ে যায়।
ডাকাতির এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি জড়িত ছিল। ডাকাত মামলার আসামি কাওসার, ডাকতির মূল পরিকল্পনাকারী হাকিম (যাঁর বিরুদ্ধে ১৮টি মামলার সংখ্যা রয়েছে), এবং ডাকাতির মূল সর্দার জলিল মোল্লা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। এ ছাড়া তথ্যদাতা হিসেবে মুস্তাফিজ এবং সহযোগী হিসেবে সাগর বোরাক, শওকত হোসেন দিপু, সোহেল ও আলী এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।
তদন্তে জানা গেছে, জলিল মোল্লার কাছে লুটের ৫৩ লাখ টাকা ছিল। সাগর বোরাক ও মুস্তাফিজের কাছে ছিল ১৪ লাখ টাকা, এবং অন্যান্য সহযোগীদের প্রাপ্ত টাকা ছিল ১০ লাখ টাকা। এর বাইরে ডিবি কর্তৃক উদ্ধারকৃত টাকার পরিমাণ ১২ লাখ টাকা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য অভিযাতের মধ্যে মতিঝিলে ডলার ডাকাতির ঘটনায় ১৭ লাখ টাকা এবং তুরাগ থানায় উদ্ধারকৃত চাঁদার টাকার পরিমাণ ১১ হাজার ২২০ টাকা।
এক মাসে র্যাব কর্তৃক উদ্ধারকৃত অস্ত্রের সংখ্যা ১০৪টি। এর মধ্যে ৬৫টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩৯টি বিদেশি অস্ত্র রয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির সংখ্যা ৬০ জন।
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী আরও বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা, নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ চিহ্নিত ও প্রতিরোধ এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব ভবিষ্যতেও আরও দৃঢ়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
অন্যদিকে, রাজধানী ঢাকার বাইরে মেহেরপুর জেলায় পৃথক আরেকটি অভিযানে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট ও সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলার পলাতক আসামি শামীম রেজাকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি প্রদীপ কুমার সানার অধীনে এই অভিযান পরিচালিত হয়।








