বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিডিরিভাইস২৪-এ স্বাগতম — দেশের খবর, নির্ভরযোগ্য উৎসে
বিজ্ঞাপন
ঠাকুরগাঁওয়ে ওড়াঁও সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী কারাম উৎসব অনুষ্ঠিত
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের পাঁচপীরডাঙ্গা গ্রামে ওড়াঁও সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী তিন দিনব্যাপী কারাম উৎসব শুরু হয়েছে। শুক্রবার রাতে এই উৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। বিপদ থেকে মুক্তি ও ভালো ফসলের প্রত্যাশায় এ পূজার আয়োজন করা হয়।
ঠাকুরগাঁওয়ের সালন্দর ইউনিয়নের পাঁচপীরডাঙ্গা গ্রামে ওড়াঁও সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী কারাম উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। নানা আয়োজন ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এই উৎসব পালন করছে স্থানীয় ওড়াঁও সম্প্রদায়।
গত শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে এই উৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এই উৎসবকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ওড়াঁও সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
কারাম উৎসব মূলত একটি তিন দিনের বড় আয়োজন। এই উৎসবের অন্যতম প্রধান এবং আকর্ষণীয় আনুষ্ঠানিকতা হলো নির্দিষ্ট স্থানে কারাম গাছের ডাল স্থাপন করা।
এই পূজাকে কেন্দ্র করে সম্প্রদায়ের নারীরা বিশেষ ব্রত পালন করেন। ওড়াঁও নারীরা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কঠোর উপবাস পালন করেন এবং দিনভর নানা আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
উৎসব আয়োজনের পেছনের মূল আধ্যাত্মিক তাৎপর্য সম্পর্কে বিশ্বনাথ কেরকেটা জানান, 'বিপদ-আপদ থেকে মুক্তি, ভালো ফসল এবং সুখ-সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় প্রতিবছর এ পূজার আয়োজন করা হয়।'
এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবের সঙ্গে ওড়াঁও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি, বিশ্বাস এবং কৃষিভিত্তিক জীবনযাত্রার গভীর যোগসূত্র রয়েছে। প্রতিবছরই তারা নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে কারাম উৎসব উদযাপন করে থাকেন।
নবীজি (সা.)-এর কনিষ্ঠ কন্যা ফাতিমা (রা.) ১১ হিজরির ৩ রমজান মদিনায় ইন্তেকাল করেন। তাঁর জীবদ্দশায় তিনি ইসলামের ইতিহাসে এক অনন্য উচ্চাসনে আসীন ছিলেন। তাঁর জীবন, ত্যাগ ও উত্তরাধিকার নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।
প্রাতিষ্ঠানিক যাকাত ব্যবস্থাপনা, দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট (সিজেডএম) এবং চট্টগ্রাম তামাকুমন্ডি লেন বণিক সমিতির মধ্যে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম তামাকুমন্ডি লেন বণিক সমিতির কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সৌদি আরবের মদিনা অঞ্চলে একটি প্রাচীন মসজিদে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্য করা দোয়া এবং হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর শিলালিপি আবিষ্কার করা হয়েছে। দেশটির হেরিটেজ কমিশন এই প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারের তথ্য জানিয়েছে।
মালদ্বীপের পর্যটনকেন্দ্রিক রিসোর্ট এলাকার বাইরে স্থানীয় দ্বীপগুলোতে ইসলামি সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার গভীর প্রভাব রয়েছে। রাজধানী মালে শহরে ৩০টিরও বেশি মসজিদ রয়েছে এবং এখানে ১৬৫৮ সালে নির্মিত ঐতিহাসিক হুকুরু মিস্কি অবস্থিত। ইউনেসকোর ঐতিহাসিক বিবরণে মালদ্বীপে ইসলাম গ্রহণের সময়কাল ১১৫৩ খ্রিস্টাব্দ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।