ট্রাইব্যুনালে জসিম হত্যা ও বিচারবহির্ভূত হত্যার সাক্ষ্য
সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত জসিম উদ্দিনের হত্যা মামলা এবং ২০১৫ সালের বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। নিহত জসিম উদ্দিনের স্ত্রী রুমা বেগম ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দি দিয়েছেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত জসিম উদ্দিনের হত্যা মামলা এবং ২০১৫ সালে বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এই বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। চাঞ্চল্যকর এই মামলাগুলোর শুনানিতে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য ও জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মোহাম্মদপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে জসিম উদ্দিন মারা যান। এই হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ নিহত জসিম উদ্দিনের স্ত্রী রুমা বেগমের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। ট্রাইব্যুনালে তার দেওয়া জবানবন্দিতে তৎকালীন বিভিন্ন ঘটনার বিবরণ উঠে আসে।
সাক্ষ্য দেওয়ার সময় রুমা বেগম ট্রাইব্যুনালে একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উত্থাপন করেন। তিনি জানান, ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে ঢাকায় আসার কারণে তার বড় মেয়েকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের মাধ্যমে ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছিল। তার এই বক্তব্য ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রমে বিশেষভাবে আলোচিত হয়।
এদিকে একই দিনে অপর একটি ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ ২০১৫ সালের বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগের মামলার বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই মামলায় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কনস্টেবল মো. মুজিবুর রহমানের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। ট্রাইব্যুনালে তার এই জবানবন্দি গ্রহণের মধ্য দিয়ে ২০১৫ সালের ওই ঘটনার আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে চলেছে।
সংশ্লিষ্ট বিচারিক প্রক্রিয়ায় ঢাকা ও বরিশালের আগৈলঝাড়া এলাকার বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ও বিষয়বস্তু সামনে আসছে। মামলা দুটির সাক্ষ্যগ্রহণ ও জবানবন্দি রেকর্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও হত্যার বিচারিক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত রয়েছে।








