টানা দরপতনের পর শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেন বেড়েছে
টানা দরপতনের ধারার পর দেশের শেয়ারবাজারে স্বস্তি ফিরেছে। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার পাশাপাশি সূচক ও লেনদেনও বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

টানা দরপতনের পর অবশেষে দেশের শেয়ারবাজারে ইতিবাচক ধারার দেখা মিলেছে। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) তালিকাভুক্ত বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ লেনদেনের চিত্র ছিল বেশ চাঙ্গা। বাজারটিতে দিনশেষে ডিএসইএক্স সূচকটি ২১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৪৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে সূচকের এই অবস্থান বাজারটির সার্বিক পরিস্থিতিকে কিছুটা স্থিতিশীল করেছে বলে বাজার বিশ্লেষকরা মত প্রকাশ করেছেন।
ডিএসইর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোর মধ্যেও ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। ডিএসই-৩০ সূচকটি ৫ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ৯২ পয়েন্টে উঠে এসেছে। একই সঙ্গে ডিএসই শরিয়াহ সূচকটিও ৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৯ পয়েন্টে গিয়ে অবস্থান নিয়েছে। এসব সূচকের উত্থান বাজারজুড়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
সূচকের পাশাপাশি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আজকের কার্যদিবসে ডিএসইতে মোট ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এই লেনদেন বাজারটির বর্তমান টার্নওভারের চিত্রকে তুলে ধরেছে।
অন্যদিকে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) ইতিবাচক প্রবণতা বজায় ছিল। সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই এদিন ৭৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। সূচকের এই বড় অংকের উত্থান চট্টগ্রাম বাজারের বিনিয়োগকারীদের জন্যও স্বস্তিদায়ক ছিল।
সূচক বাড়ার পাশাপাশি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসইতে) লেনদেনের গতিও বজায় ছিল। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আজ দিনশেষে সিএসইতে মোট ২০ কোটি ৮২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। সার্বিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম—উভয় স্টক এক্সচেঞ্জেই শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মধ্য দিয়ে আজকের দিনটি শেষ হয়েছে।








