জেড ক্যাটাগরির শেয়ার লেনদেনে পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা বাতিল
জেড ক্যাটাগরির কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের শেয়ার লেনদেনের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই সঙ্গে বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ পাঠানোর নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের পুঁজিবাজার খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) একটি বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিএসইসির ১০২৭তম কমিশন সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তগুলো চূড়ান্ত করা হয়। পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি ও বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সভায় নেওয়া অন্যতম প্রধান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জেড ক্যাটাগরির তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা এবং পরিচালকদের শেয়ার বা ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ লেনদেন ও হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এতদিন যে পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা ছিল, তা সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে এই ধরনের কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তা ও পরিচালকেরা সহজেই তাদের শেয়ার লেনদেন করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আয়োজিত এই বৈঠকে পুঁজিবাজারের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও নতুন নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ প্রেরণের প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা আনতে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, যা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে দ্বৈত কর পরিহার সনদ পাওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের অনুকূলে ঘোষিত লভ্যাংশ পাঠাতে হবে। শুধু সনদ প্রাপ্তি নয়, একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের মধ্যেই এই লভ্যাংশ পাঠানোর প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে বলে কমিশনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
গত ১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বিএসইসির ওই কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্তগুলো অনুমোদিত হয়। দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে এবং পুঁজিবাজারে সুশাসন ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) নিয়মিতভাবে এ ধরনের নীতিগত পরিবর্তন ও সংস্কারমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
উল্লেখ্য, এই পুরো প্রক্রিয়াটি সফলভাবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর মাধ্যমে পুঁজিবাজারের বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থাও আরও সুদৃঢ় হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।








