জুনিয়র স্কলারশিপ পরীক্ষার সাথে ইউপি ভোটের তারিখ সংঘাত
আগামী ১৩ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এবং জুনিয়র স্কলারশিপ পরীক্ষার গণিত পরীক্ষা একই দিনে পড়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র ও ভোটকেন্দ্র একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও শিক্ষাগত সময়সূচি সংঘাতের মুখোমুখি হয়েছে। নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে জুনিয়র স্কলারশিপ পরীক্ষা শুরু হয়ে ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে। ঠিক এই সময়ই দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৩ ডিসেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। আর এই দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে দেশের অন্তত ৮০টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এই একই দিনে অর্থাৎ ১৩ ডিসেম্বর জুনিয়র স্কলারশিপ পরীক্ষার গণিত পরীক্ষা নির্ধারিত রয়েছে।
এই জটিল পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এবং নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এই পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। পরীক্ষার সঙ্গে জড়িত বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়েও নানা মহলে আলোচনা চলছে।
প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবারের জুনিয়র স্কলারশিপ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে প্রায় ৪ লাখ শিক্ষার্থী। এত বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে আয়োজিত এই পরীক্ষার সময়সূচি এবং জাতীয় স্থানীয় নির্বাচন একই দিনে পড়ে যাওয়ায় বড় ধরণের প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
মূল সংকট তৈরি হয়েছে পরীক্ষাকেন্দ্র এবং ভোটকেন্দ্রের ভৌত অবকাঠামো নিয়ে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ইতিমধ্যেই চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের উদ্বেগের মূল কারণ হলো, জুনিয়র স্কলারশিপ পরীক্ষার কেন্দ্র এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র মূলত একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারণ করা হয়েছে।
একটি নির্দিষ্ট দিনে একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একদিকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা পরিচালনা এবং অন্যদিকে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটারদের নিয়ে নির্বাচন সম্পন্ন করা অত্যন্ত দুরূহ একটি কাজ। এই বাস্তবতায় পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা উদ্ভূত সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন যাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে কোনো ধরণের বিঘ্ন না ঘটে।








