জিডি ট্রফি: অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ৯ উইকেটে হারাল অনূর্ধ্ব-২৩ দল
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফির ম্যাচে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ৯ উইকেটে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। ম্যাচে ৭৬ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন আজিজুল হাকিম তামিম।
প্রকাশ: · আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৯:৪৬· ১ মিনিট পড়া

০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে রাজধানী ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফির (জিডি ট্রফি) একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল এবং বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। রোমাঞ্চকর এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে অনূর্ধ্ব-২৩ দল।
ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ পায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। যুব দলের ইনিংসের শুরু থেকেই অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মুখে পড়ে তারা। নির্ধারিত ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল সব কটি উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয়ে যায়।
অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ইনিংসে ব্যাটারদের মধ্যে লড়াই করার চেষ্টা করেন কয়েকজন। দলের পক্ষে জারিফ সিয়াম ৫৬ রান করেন। এছাড়া আহসান আল মুমিন ৩৫ রান করেন, মেহেরাব হাসান সিজান ৩৩ রান করেন এবং শাকিল খান ১৫ রান করে আউট হন। তবে পুরো ইনিংসে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বোলারদের ওপর তারা বড় কোনো চাপ সৃষ্টি করতে পারেননি।
অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বোলিং আক্রমণে সফল ছিলেন বোলাররা। দলের সফল বোলারদের মধ্যে মহিউদ্দিন তারেক বল হাতে ৩৬ রান খরচ করে ২ উইকেট শিকার করেন। সামগ্রिक বোলিং ও ফিল্ডিংয়ের কল্যাণে যুব দলকে অল্পতেই আটকে ফেলতে সক্ষম হয় অনূর্ধ্ব-২৩ দল।
জবাবে জয়ের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ ব্যাটিং প্রদর্শন করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। দলের পক্ষে ওপেনিং জুটিতেই দুর্দান্ত সূচনা আসে, যেখান থেকে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ইনিংসের ওপেনিং জুটি থেকে আসে ১৩০ রান। এই বড় জুটি ম্যাচের ভাগ্য মূলত অনূর্ধ্ব-২৩ দলের পক্ষেই নিয়ে যায়।
রান তাড়ার পথে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ব্যাটাররা অনবদ্য ইনিংস খেলেন। ওপেনার আজিজুল হাকিম তামিম দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ৭৬ রান করেন এবং দলের জয়ে অনবদ্য ভূমিকা রেখে ম্যাচসেরা হয়েছেন। এছাড়া আদিল বিন সিদ্দিক ৬৩ রান সংগ্রহ করেন। ম্যাচ শেষ পর্যন্ত তামিম ৭৪ রানে অপরাজিত ছিলেন এবং কালাম সিদ্দিকী অলিন অপরাজিত ৩৯ রান করেন।
অনূর্ধ্ব-২৩ দল অত্যন্ত সহজে এবং দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে ১১১ বল হাতে রেখেই মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে প্রয়োজনীয় রান তুলে ফেলে এবং ৯ উইকেটের এক বিশাল জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে। এই দলে আরও স্কোয়াডে ছিলেন কাওসার আহমেদ, রাকিবুল হাসান, ফরিদ হাসান ফয়সাল, রাকিব খান ও স্বাধীন।








