জামালপুরে বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি প্যাশন ফলের চাষ
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মলিকাডাংগা গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি প্যাশন ফল চাষ হচ্ছে। এক বিঘা জমিতে ৭২টি চারা রোপণ করে এই ফল চাষ করা হচ্ছে এবং প্রতি কেজি ফল ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মলিকাডাংগা গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে বিদেশি প্যাশন ফল চাষ করা হচ্ছে। স্থানীয় কৃষি খাতে নতুন এই ফলের চাষ বেশ সাড়া ফেলেছে এবং এর বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এই উদোগের সাথে যুক্ত রয়েছেন নোমান মাহমুদ। তিনি নোমান মাহমুদ সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই চাষাবাদের সাথে যুক্ত রয়েছেন, যেখানে আসাদ ও আব্দুর রউফ এই কার্যক্রমে সম্পৃক্ত আছেন।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মেলান্দহ উপজেলা কৃষি অফিস এই চাষাবাদে সার্বিক তদারকি ও সহায়তা প্রদান করে আসছে। বর্তমানে মেলান্দহ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে আব্দুর রউফ দায়িত্ব পালন করছেন।
চাষাবাদের পদ্ধতি প্রসঙ্গে জানা যায়, নোমান মাহমুদ এক বিঘা জমিতে ৭২টি প্যাশন ফলের চারা রোপণ করেছেন। এছাড়া প্যাশন ফল চাষের ক্ষেত্রে ১০ শতক জমিতে বাগান করার পাশাপাশি প্রায় ১৫ বছর ধরে এই গাছগুলো থেকে ফল পাওয়া যায় বলে জানা যায়।
উৎপাদিত এই ফল বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি প্যাশন ফল ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
স্থানীয় পর্যায়ে এই ফলের চাষ করে ভালো অর্থনৈতিক সুফলও পাওয়া গেছে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে এক লাখ টাকার ফল বিক্রি করেছেন সংশ্লিষ্ট চাষি।








