জাতীয় সংসদে খাদ্যে ভেজাল ও মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে উদ্বেগ
জাতীয় সংসদে খাদ্যে ভেজাল ও মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্য সানসিলা জেবরিন। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি-বিধির ৭১ বিধি অনুসারে জরুরি গুরুত্বসম্পন্ন বিষয় সম্পর্কে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশে তিনি এই বক্তব্য রাখেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৯:১৯· ১ মিনিট পড়া

জাতীয় সংসদে দেশের মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা এবং জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপন করা হয়েছে। সংসদে খাদ্যে ভেজাল এবং মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্য সানসিলা জেবরিন। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের খাদ্যতালিকায় ক্ষতিকর উপাদান ও ভেজালের উপস্থিতি যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাতে নীতিনির্ধারক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানী ঢাকার জাতীয় সংসদে। গত ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করা হয়। সংসদ সদস্য সানসিলা জেবরিন সুনির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় দাঁড়িয়ে দেশের খাদ্য খাতের এই বিপজ্জনক চিত্রটি তুলে ধরেন এবং এর প্রতিকার দাবি করেন।
এই বিষয়ে বক্তব্য রাখার জন্য তিনি সুনির্দিষ্ট সংসদীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করেন। তিনি মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি-বিধির ৭১ বিধি অনুসারে জরুরি গুরুত্বসম্পন্ন বিষয় সম্পর্কে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশে বক্তব্য রাখেন। এই নোটিশের মাধ্যমে তিনি সংসদের এবং সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন।
বক্তব্যের সময় সংসদ সদস্য সানসিলা জেবরিন আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যবাজারের একটি বাস্তব ও উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমরা বাজার থেকে খাবার কিনি, কিন্তু নিরাপত্তা কিনতে পারি না। বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন খাদ্যের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের অসহায়ত্বের বিষয়টি তার এই কথায় স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।
তিনি তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন যে, খাদ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ বাহ্যিক বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করলেও ভেতরের আসল অবস্থা জানতে পারে না। তিনি বলেন, আমরা মোড়ক দেখি, দাম দেখি, মেয়াদ দেখি কিন্তু খাবারের ভেতরে লুকিয়ে থাকা বিষ দেখি না। আর এখানেই সবচেয়ে বড় উদ্বেগ।
খাবারে ভেজাল এবং মাইক্রোপ্লাস্টিকের মতো মারাত্মক উপাদানের উপস্থিতি মানবদেহের জন্য অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ। সংসদ সদস্যের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদে খাদ্যে ভেজাল ও মাইক্রোপ্লাস্টিক রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা আবারও জোরালোভাবে সামনে চলে এসেছে।








