চ্যাম্পিয়নস লিগে এমবাপ্পের রেকর্ড ও রিয়াল-সিটির জয়
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমের প্রথম ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার সিটি জয় পেয়েছে। ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পে ৯৯ ম্যাচে ৭১ গোল করে রাউল গঞ্জালেসের সঙ্গে যৌথভাবে পঞ্চম সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। এছাড়া থিবো কোর্তোয়া বেলজিয়ামের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১০০ চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচ খেলার মাইলফলক ছুঁয়েছেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমের প্রথম ম্যাচগুলোতে রোমাঞ্চকর লড়াই ও একাধিক রেকর্ড দেখা গেছে। আসরের উদ্বোধনী ম্যাচগুলোতে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলো মাঠে নামে। এর মধ্যে অন্যতম হাইভোল্টেজ ম্যাচে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু, মাদ্রিদে রিয়াল মাদ্রিদ মাঠে নেমেছিল। রিয়াল মাদ্রিদ ২-১ গোলে ইন্টার মিলানকে পরাজিত করেছে।
ম্যাচটিতে দারুণ পারফরম্যান্সের সুবাদে কিলিয়ান এমবাপ্পে ব্যক্তিগত রেকর্ডে বড় অর্জন যোগ করেছেন। কিলিয়ান এমবাপ্পে ৯৯ ম্যাচে ৭১ গোল করে রাউল গঞ্জালেসের সঙ্গে যৌথভাবে চ্যাম্পিয়নস লিগের পঞ্চম সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে রাউল গঞ্জালেস ১৪২ ম্যাচে ৭১ গোল করেছিলেন। বর্তমানে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ১৪০ গোল নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন, যেখানে মেসির গোল ১২৯টি। এছাড়া রবার্ট লেভানডফস্কির ১০৯ গোল, করিম বেনজেমার ৯০ গোল এবং রাউলের ৭১ গোল রয়েছে। রোনালদোর রেকর্ড থেকে এমবাপ্পের দূরত্ব ৬৯ গোলের। অন্যদিকে আর্লিং হলান্ডের ৮১ গোল দূরত্ব রয়েছে রোনালদোর রেকর্ড থেকে। হলান্ড ৫৯ ম্যাচে ৫৯ গোল করেছেন। এমবাপ্পের বয়স ২৭ এবং হলান্ডের বয়স ২৬ বছর।
রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে অতীতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ১০৬ গোল করেছিলেন। এছাড়া ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে রোনালদোর ২১ গোল এবং জুভেন্টাসে রোনালদোর ১৪ গোল রয়েছে। লিওনেল মেসি বার্সেলোনার জার্সিতে ১২০ গোল করেছিলেন। বর্তমানে আল নাসর ক্লাবে খেলা রোনালদো এবং ইন্টার মায়ামি ক্লাবের হয়ে মেজর লিগ সকার, শিকাগো ফায়ার ও আল হিলালের মতো দলগুলোর প্রসঙ্গ এই রেকর্ডের পরিসংখ্যানের সাথে জড়িত।
এই ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। থিবো কোর্তোয়া বেলজিয়ামের প্রথম খেলোয়াড় ও অষ্টম গোলকিপার হিসেবে ১০০ চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচ খেলার মাইলফলক ছুঁয়েছেন। ম্যাচটিতে রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড় ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ২৮ বল রিকভারি করেছেন। ২০০৮ সালে হিগুয়েইনের ১২ বার বল রিকভারি এবং রবিনিওর ৯ বার বল রিকভারির পরিসংখ্যানের সাথে তুলনা করলে ভিনিসিয়ুসের এই অর্জন বেশ বড়। এছাড়া প্রতিপক্ষ দলের গোলকিপারদের মোট ৩০টি ভুল থেকে পাওয়া রিয়ালের গোলসংখ্যা রয়েছে।
অপর ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটি ২-০ গোলে পোর্তোকে পরাজিত করেছে। পেপ গার্দিওলার দল ম্যানচেস্টার সিটি পোর্তোর বিপক্ষে এই জয় তুলে নেয়। এই ম্যাচে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড, আর্সেনাল (যাদের ১৫টি গোল রয়েছে), ভিয়ারিয়াল, জুভেন্টাস, উরুগুয়ের খেলোয়াড়দের ১৫০তম গোল, সান্তিয়াগো মৌরিনিও এবং পাওলো মন্তেরোর মতো নাম ও প্রসঙ্গগুলো ইউরোপীয় ফুটবলের এই বৃহৎ পরিসংখ্যানে এসেছে।








